বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারে ৫ বছর বয়সী রাকিকা আক্তার রাকা নামের এক শিশু নিখোঁজের ৬ ঘণ্টা পর প্রতিবেশীর বাসা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) সন্ধ্যায় নিহত শিশুটির বাবা রায়হান আলী বাদী হয়ে প্রতিবেশী আমজাদ হোসেন ও তার স্ত্রী বন্যা বেগমসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, রাকার মায়ের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তাকে তার বাবা রায়হান ও ফুপু লিপি বেগম লালান-পালন করছিল। সে স্থানীয় নুরানি ইসলামী একাডেমি মাদরাসায় শিশু শ্রেণিতে লেখাপড়া করতো। গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় রাকা মনি প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয়। পরিবারের লোকজন, আত্মীয় স্বজন ও প্রতিবেশীরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে রাত ১০টায় প্রতিবেশী আমজাদ হোসেনের বাড়ির একটি কক্ষ থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। ওই রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তা থেকে রাকার মরদেহ উদ্ধার করে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রতিবেশী আমজাদ হোসেন, বন্যা এবং বাবু হোসেন ও তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকাকে আটক করে।
আরও পড়ুন
স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান আলম স্বপন বলেন, স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নিতেই শিশুটিকে শ্বাসরোধ ও মাথায় আঘাত করে হত্যা করে লাশ ঘরের ভেতর বস্তায় লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। আমাদের একটাই চাওয়া, হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হোক।
আদমদীঘি থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) শহিদুল ইসলাম বলেন, নিহত শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ৪ জনের নামে মামলাটি করেছেন। গ্রেফতার চারজনের মধ্যে বাবুকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সময়ের আলো/জোই