মাঠে নেমেছে ইউরোপীয় জায়ান্ট নেদারল্যান্ডস এবং এশিয়ার পরাশক্তি জাপান। টেক্সাসের ড্যালাস স্টেডিয়ামে (এটি অ্যান্ড টি স্টেডিয়াম) ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজার সাথে সাথেই শুরু হয়েছে এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ লড়াই।
দুই দলের ডাগআউটের রণকৌশল এবং চূড়ান্ত একাদশ প্রকাশ পেয়েছে। নেদারল্যান্ডসের ডাচ কোচ রোনাল্ড কোম্যান ৪-৩-৩ ফর্মেশনে আক্রমণাত্মক দল সাজিয়েছেন। গোলপোস্টের নিচে ইনজুরির শঙ্কা উড়িয়ে শুরুর একাদশে জায়গা করে নিয়েছেন বার্ট ভারব্রুগেন। রক্ষণভাগ সামলানোর মূল দায়িত্বে আছেন অধিনায়ক ভার্জিল ভ্যান ডাইক ও মিকি ভ্যান ডি ভেন জুটি। সাথে রাইট-ব্যাকে ডেনজেল ডামফ্রিস এবং লেফট-ব্যাকে জ্যান পল ভ্যান হেক খেলছেন।
মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণে ডাচদের বড় ভরসা এসি মিলান থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়া তারকা মিডফিল্ডার তিজানি রেইন্ডার্স। তাঁর সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন ফ্রেঙ্কি ডি জং এবং রায়ান গ্রাভেনবার্চ। আক্রমণভাগে ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা রেকর্ড গোলদাতা মেমফিস ডিপাইয়ের সাথে থাকছেন ডনিয়েল মালেন এবং ক্রাইসেনসিও সামারভিল। তবে ইনজুরির কারণে বিশ্বকাপ স্কোয়াড থেকে ছিটকে পড়া জুয়েন টিম্বারের অভাব আজ পোড়াবে ডাচদের।
অন্যদিকে, জাপান দল ৩-৪-৩ ফর্মেশনে কাউন্টার-অ্যাটাকিং ফুটবল খেলার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছে। জাপানি গোলরক্ষক জায়ন সুজুকির সামনে ডিফেন্সে আছেন হিরোকি ইতো, শোগো তানিগুচি এবং সুয়োশি ওয়াতানাবে। মাঝমাঠ ও আক্রমণভাগের সংযোগ ঘটাতে খেলছেন রিতসু দোয়ান, দাইচি কামাদা, কাইশু সানো এবং কেইতো নাকামুরা। আর ডাচ ডিফেন্স ভাঙার মূল গুরুদায়িত্ব থাকছে তাকেফুসা কুবো, দাইজেন মায়েদা এবং আয়াসে উয়েদার কাঁধে।
কাতারে গত বিশ্বকাপে জার্মানি ও স্পেনের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া জাপানকে এবার অনেকেই আসরের ‘ডার্ক হর্স’ ভাবছেন। ড্যালাসের মাঠে রোনাল্ড কোম্যানের নেদারল্যান্ডস জয় দিয়ে মিশন শুরু করতে পারে, নাকি সামুরাই ব্লু-রা আরও একটি ঐতিহাসিক অঘটনের জন্ম দেয়— তা দেখার জন্য টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রাখছেন বিশ্বজুড়ে কোটি ফুটবল ভক্ত।
সময়ের আলো/জেডি