দেশের রফতানি আয় বর্তমান প্রায় ৫০-৫৫ বিলিয়ন ডলারের গণ্ডি থেকে ১৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি জানান, সম্ভাবনাময় কয়েকটি খাতকে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, নীতিগত সহায়তা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে এগিয়ে নিতে পারলে এ লক্ষ্য অর্জন কঠিন নয়।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা জানান।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের সব শর্ত পূরণ করেছে। এখন মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে উত্তরণের পর বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা এবং পরবর্তী ধাপে অগ্রসর হওয়ার সক্ষমতা অর্জন করা। এজন্য শিল্পখাতে দক্ষতা বৃদ্ধি, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তি অভিযোজনের ওপর জোর দিতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস (ইসিফোর-জে) প্রকল্পের মূল ধারণা সময়োপযোগী হলেও প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অন্যতম বড় দুর্বলতা। ভবিষ্যতে প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পন্ন নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে অভিযোজন সক্ষমতা রাখতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘লেদার ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে প্রতিষ্ঠিত অবকাঠামো আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র হিসেবে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালনা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে দেশীয় শিল্প দ্রুত বৈশ্বিক মানদণ্ডে পৌঁছাতে পারে।’
সময়ের আলো/কেএইচও