রাজধানীর পৃথক দুটি এলাকায় এক কিশোরসহ দুজনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি, তারা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। নিহতরা হলেন হাজারীবাগের সাগর (২১) এবং কামরাঙ্গীরচরের রিহাদ (১২)।
রোববার (২৮ জুন) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে হাজারীবাগের গণকটুলি এলাকার বাসায় গলায় ফাঁস দেন সাগর। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ভোর সোয়া ৫টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কামরাঙ্গীরচরের বড়গ্রাম এলাকার বাসায় গলায় ফাঁস দেয় রিহাদ। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত সাড়ে ১২টার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
রিহাদের মা হাসি বেগম জানান, স্বামীর সঙ্গে অনেক আগেই তাদের বিচ্ছেদ হয়েছে। এরপর থেকে রিহাদ তার সঙ্গেই থাকত। শনিবার সন্ধ্যায় রিহাদ বাবার কাছে যেতে চাইলে তিনি যেতে নিষেধ করেন। এরপর রাত ১০টার দিকে বাসার বারান্দার গ্রিলের সঙ্গে রশি পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেয় রিহাদ।
এদিকে সাগরের মা হামিদা বেগম জানান, সাগর দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিল এবং কোনো কাজ করত না। শনিবার রাতে সে টাকা দাবি করলে টাকা দিতে না পারায় তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে রোববার ভোরে তিনি দেখতে পান, বারান্দার গ্রিলের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলছে সাগর। দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলেও চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাগুলো তদন্ত করছে হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানা পুলিশ।
সময়ের আলো/এসএকে