সাভারে এক প্রসাধনী কোম্পানির নারী কর্মীকে শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহতের নাম শারমিন আক্তার লিজা (৩৬)। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ওই নারীকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে সাভারের আমিনবাজার ইউনিয়নের বড়দেশী হাজীনগর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত লিজা ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ মডেল থানার আগানগর গ্রামের শওকত হোসেনের মেয়ে। তিনি তার মেয়ে সামিয়া আক্তার জেরিনকে নিয়ে আমিনবাজারের ইউসুফ আলীর মালিকানাধীন তিনতলা বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন এবং রাজধানীতে একটি প্রসাধনী কোম্পানিতে মার্কেটিংয়ের চাকরি করতেন।
পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে নিহতের মেয়ে জেরিন তার এক বান্ধবীর বাড়িতে বেড়াতে যায়। পরবর্তীতে সন্ধ্যার দিকে বাসায় ফিরে সে তার মাকে শোবার ঘরের বিছানায় বিবস্ত্র ও মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। জেরিনের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন এবং ঘরে মরদেহ দেখে জাতীয় জরুরি সেবা '৯৯৯'-এ কল করে সাভার মডেল থানায় খবর দেন।
খবর পেয়ে সাভার মডেল থানার আমিনবাজার পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
আমিনবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জাকির আল হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারীকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত নিশ্চিত হওয়া যাবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর।
পুলিশ জানায়, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ ছাড়া, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সময়ের আলো/জোই