ফিলিস্তিনি প্রতীকে নিষেধাজ্ঞা, র‍্যাকেটে তরমুজের চিহ্ন এঁকে প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

খেলা

উইম্বলডন টেনিস টুর্নামেন্টে ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে টুর্নামেন্ট কর্তৃপক্ষের বাধার মুখে পড়েন তুর্কি খেলোয়াড় জেইনপ সোমমেজ। শেষ পর্যন্ত ফিলিস্তিনের

2026-07-04T12:56:37+00:00
2026-07-04T12:56:37+00:00
 
  শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬,
২০ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
খেলা
ফিলিস্তিনি প্রতীকে নিষেধাজ্ঞা, র‍্যাকেটে তরমুজের চিহ্ন এঁকে প্রতিবাদ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম 
ছবি : সংগৃহীত
উইম্বলডন টেনিস টুর্নামেন্টে ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে টুর্নামেন্ট কর্তৃপক্ষের বাধার মুখে পড়েন তুর্কি খেলোয়াড় জেইনপ সোমমেজ। শেষ পর্যন্ত ফিলিস্তিনের পতাকার রঙের আদলে তরমুজের প্রতিকৃতি সংবলিত ভাইব্রেশন ড্যাম্পেনার ব্যবহার করে নিজের প্রতিবাদের ভাষা প্রকাশ করেন তিনি।

দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে বিদায় নেওয়ার পর তুর্কি সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর সঙ্গে আলাপকালে জেইনপ সোমমেজ এ ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমি আগে ফিলিস্তিনের পতাকার একটি পিন পরতাম। কিন্তু এখন টুর্নামেন্ট কর্তৃপক্ষ আমাকে তা পরতে দিচ্ছে না। আয়োজকদের সঙ্গে আমার এ নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। আমি তাদের বলেছিলাম, যদি ইউক্রেনের পতাকা পরার অনুমতি থাকে, তবে ফিলিস্তিনের পতাকা কেন নয়?

কিন্তু কর্তৃপক্ষ সাফ জানিয়ে দেয়, তারা কোনোভাবেই ফিলিস্তিনের পিন ব্যবহারের অনুমতি দেবে না। এরপরই জেইনপ কৌশলে বেছে নেন তরমুজের প্রতীক। তিনি বলেন, তারা পিন পরতে নিষেধ করায় আমি আমার র‍্যাকেটে তরমুজের প্রতিকৃতি ব্যবহার করেছি। এটি তো তারা আটকাতে পারে না।

উল্লেখ্য, তরমুজ ফিলিস্তিনের একটি অন্যতম প্রধান ফসল এবং এর রং— লাল, সবুজ, সাদা ও কালো ফিলিস্তিনের পতাকার রঙের সাথে মিলে যায়। ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ ও আত্মপরিচয়ের প্রতীক হিসেবে তরমুজ বিশ্বজুড়ে পরিচিত।

উইম্বলডনের দ্বিতীয় রাউন্ডে আমেরিকান খেলোয়াড় ক্লেয়ার লিউয়ের কাছে ৭-৫, ৬-৩ গেমে হেরে বিদায় নিয়েছেন এই তুর্কি তারকা। নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে আক্ষেপ করে তিনি বলেন, আমি খুব একটা ভালো খেলিনি। গেম প্ল্যান অনুযায়ী খেলতে পারিনি। দিনটি আমার জন্য ভালো ছিল না।

তিনি জানান, সামনে বড় কোনো পরিবর্তন না এনে বরং নিজের দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে ওঠার দিকেই মনোযোগী হবে তার দল। ম্যাচের মাঝে নিজের মনোযোগ ধরে রাখার কৌশল হিসেবে তিনি হাত দিয়ে লিখে রাখা কিছু নোট ব্যবহার করেন, যা তাকে স্নায়ুচাপ সামলে স্থির থাকতে সাহায্য করে।

উইম্বলডনে নিজের একক যাত্রা শেষ হলেও দ্বৈত প্রতিযোগিতায় এখনো টিকে আছেন জেইনপ। টুর্নামেন্টজুড়ে তুরস্কের সমর্থকদের উৎসাহ ও ভালোবাসা তাকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে বলে জানান তিনি। জেইনপ বলেন, আমি কখনো নিজেকে একা মনে করিনি। আমার মনে হচ্ছিল যেন আমার দেশের মানুষও আমার সঙ্গে কোর্টে খেলছে। এই সমর্থন আমার কাছে অনেক বড় বিষয়।

সময়ের আলো/কহু



  বিষয়:   সময়ের আলো  টেনিস  ফিলিস্তিনি 


Loading...
Loading...
খেলা- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: