ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যে অর্জন এসেছে, তা কোনো একক ব্যক্তি বা দলের নয়; বরং দেশের সব গণতন্ত্রকামী ও শান্তিপ্রিয় মানুষের অর্জন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সম্মেলনের আয়োজন করে ‘জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি’ ও ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি’।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান, প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মনি এবং গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জুলাই আন্দোলনে যারা আত্মত্যাগ করেছেন এবং যারা স্বজন হারিয়েছেন, রাষ্ট্র তাদের যথাসাধ্য মূল্যায়নের চেষ্টা করবে। তিনি আরও বলেন, যাদের বিরুদ্ধে অন্যায় ও অবিচারের অভিযোগ রয়েছে, তাদের দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচার হবে। তবে বিচার প্রক্রিয়ায় যেন কারও প্রতি অবিচার না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত কয়েকজনের পরিবারের সদস্যরা তাদের স্বজন হারানোর অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন। এক পর্যায়ে এক শহীদ জননী বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লে মিলনায়তনে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
স্মৃতিচারণ শুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। উপস্থিতদের সামনে তাকে অশ্রুসজল চোখে দেখা যায়।
সময়ের আলো/আরবিএন