উপসচিব পদের ১৭৯ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়ে যুগ্ম সচিব বানিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপনে ১৭২ জনকে এবং পরে আরেক প্রজ্ঞাপনে ৭ জনকে পদোন্নতি দেওয়ার কথা জানানো হয়।
এর আগে সকালে পদোন্নতির সার-সংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পরই পদোন্নতি দেওয়া হল।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জিতে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর প্রশাসনে এটাই একসঙ্গে সবচেয়ে বড় পদোন্নতি।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের যোগদানপত্র সরাসরি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর বা অনলাইনে ই-মেইলে (
[email protected]) পাঠাতে পারবেন।
পদোন্নতির আদেশে দেওয়া কর্মস্থল থেকে কোনো কর্মকর্তার দপ্তর/কর্মস্থল এরই মধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম, ঠিকানা উল্লেখ করে যোগদানপত্র জমা দেবেন। পরে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনোরকম বিরূপ/ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে, তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন/বাতিল করার অধিকার ‘কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে’ বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, এবার ২৫ ব্যাচের কর্মকর্তাদের এবং ২৪ ব্যাচের বাদ পড়াদের যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন ক্যাডারের ১৩৮ এবং অন্য ক্যাডার মিলিয়ে ২৪তম ব্যাচের প্রায় ১৯০ জন কর্মকর্তাকে উপসচিব থেকে যুগ্মসচিব করার সুপারিশ করা হয়েছিল।
সর্বশেষ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২৪ ব্যাচের ৮০ জনকে পদোন্নতি দিয়ে যুগ্মসচিব করা হয়েছিল। আর ২৫তম ব্যাচের মোট ১৭০ জনের মধ্যে ৮০ জনকে বিবেচনায় নেওয়া হয়।
২৫তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের মধ্যে ৮০ জন ইতোমধ্যে উপসচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন এবং তাদের অনেকে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন, অনেকে জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি আটকে থাকা ১৫তম ব্যাচের দুইজন উপ-সচিবকেও যুগ্মসচিব করা হয়েছে।
সময়ের আলো/জেডি