গাজীপুরের শ্রীপুরে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মিছিলের প্রস্তুতির নেওয়ার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ৬ কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের বাড়ি ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ জেলায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে উপজেলার শ্রীপুর-সাতখামাইর আঞ্চলিক সড়কের দুর্লভপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে একটি মাইক্রোবাস ও একটি ব্যানার জব্দ করা হয়েছে।
আটকরা হলেন ময়মনসিংহ জেলার পাগলা থানার দক্ষিণ হারিনা গ্রামের মো. সামসুলের ছেলে মো. রাজু (২৩), একই গ্রামের মো. রফিকের ছেলে মো. তানজিম (১৪), গাভী শিমুল গ্রামের মো. চান মিয়ার ছেলে মো. ওয়ালি ইসলাম (৩২), কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর থানার মাদাখোলা গ্রামের মো. আলমগীরের ছেলে মো. রাব্বি (১৯), চর বিশ্বনাথপুর গ্রামের মো. ফরিদের ছেলে মো. ইমন (২০) এবং একই গ্রামের মো. আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. মোবারিছ (২০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জুমার নামাজের পর পার্শ্ববর্তী ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ জেলা থেকে একটি বাস ও দুটি মাইক্রোবাসে করে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি দুর্লভপুর এলাকায় আসেন। অভিযোগ রয়েছে, তারা ব্যানার নিয়ে মিছিলের প্রস্তুতি নেন এবং কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটান। এতে মুসল্লি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় একটি বাস ও একটি মাইক্রোবাস দ্রুত পালিয়ে যায়। তবে একটি মাইক্রোবাসসহ ৬ জনকে আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাদের শ্রীপুর মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বরমী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রনি আকন্দ বলেন, শুক্রবার জুমার নামাজের পর নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মিছিল করার চেষ্টা করে। এতে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা ধাওয়া দিয়ে ছয়জনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
শ্রীপুর মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সঞ্জয় সাহা বলেন, নিষিদ্ধ ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের ৬ জনকে থানায় আনা হয়েছে। ককটেল বিস্ফোরণসহ ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সময়ের আলো/আআ