রাজধানী ঢাকা বৃষ্টি হলেই তলিয়ে যায়। ঢাকায় বৃষ্টি মানেই আতঙ্ক। টানা কিছুক্ষণ বৃষ্টিতেই প্রধান সড়ক থেকে অলিগলি, আবাসিক এলাকা থেকে বাণিজ্যিক অঞ্চল, সবখানেই দেখা দেয় জলাবদ্ধতা। কোথাও হাঁটু, কোথাও কোমরসমান পানি। থেমে যায় জনজীবন। এতে দুর্ভোগে পড়েন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী, ব্যবসায়ী-সবাই। প্রতি বছর একই চিত্র দেখা গেলেও জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান মিলছে না।
প্রশ্ন উঠেছে, রাজধানীতে বৃষ্টি হলেই কেন জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়? বর্ষা এলেই কেন একই চিত্র দেখা যায়? বৃষ্টি শুরু হলেই পুরো ঢাকা তলিয়ে যায়। প্রতি বছরই সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু আদৌ কোনো কাজ হয় না। তারা বছরের পর বছর রাস্থা খোঁড়াখুঁড়ি, ড্রেন পরিষ্কার, খাল খনন ও নানা প্রকল্প হাতে নেওয়ার পরও কেন রাজধানীবাসী জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না?
রাজধানী ঢাকায় একসময় অসংখ্য খাল, জলাশয় ও প্রাকৃতিক নালা ছিল। সেসব নালা-খাল দিয়ে বৃষ্টির পানি দ্রুত নদীতে নেমে যেত। কিন্তু বছরের পর বছর দখল, ভরাট, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং কার্যকর ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক গড়ে না ওঠায় সেই পথ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। বৃষ্টির পানি কোন পথে নদী-খালে যাবে সে পথটিই যেন হারিয়ে গেছে।
রাজধানীর ৫৬টি খালের মধ্যে ২৬টির অস্তিত্ব রয়েছে। বাকি খালগুলো প্রভাবশালীদের দখলে। আর ২৬টির অস্তিত্ব থাকলেও তাও ভরাট হয়ে গেছে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের রয়েছে ২৭টি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৯টি খাল। অবশ্য সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এসব খাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
অল্প সময়ের ভারী বৃষ্টিতেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পানি আটকে থেকে সৃষ্টি হয় দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা। খালগুলো দখল ও ভরাটের কারণে পানি নিষ্কাশনের পথ সংকুচিত হয়ে গেছে। এ ছাড়া অনেক ড্রেন পুরোনো এবং প্রয়োজনীয় সক্ষমতা হারিয়েছে। প্লাস্টিক, পলিথিন, নির্মাণবর্জ্য ও গৃহস্থালির আবর্জনায় ড্রেন বন্ধ হয়ে গেছে। ভবন, রাস্তা ও কংক্রিটের কাঠামো বেড়ে যাওয়ায় মাটিতে পানি শোষণের সুযোগ কম। এতে বৃষ্টির পানি দ্রুত নামতে পারে না।
এ ছাড়া সিটি করপোরেশন, পানি উন্নয়ন, ওয়াসা এবং অন্যান্য সংস্থার কাজের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা কার্যকরভাবে পরিচালিত হয় না। ভারী বৃষ্টির সময় নিচু এলাকার পানি দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পাম্পিং সক্ষমতা সব এলাকায় নেই।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলাবদ্ধতা কেবল অতিবৃষ্টির কারণেই নয়। বরং অপরিকল্পিত নগরায়ণ, খাল দখল, অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়হীনতার কারণেই জলাবদ্ধতা এখন ঢাকার দীর্ঘস্থায়ী নগর সংকটে পরিণত হয়েছে।
ইতোমধ্যে জলাবদ্ধতা হয়, রাজধানীর এমন অন্তত ১০৩টি স্পট খুঁজে পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করেপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ৬৫টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ৩৮টি স্পট রয়েছে। এই স্পটগুলো বৃষ্টি হলেই তলিয়ে যায়। এতে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, ঢাকার প্রাকৃতিক জলাধার ও খালের বড় অংশ দখল কিংবা ভরাট হয়ে গেছে। একসময় রাজধানীতে অসংখ্য খাল ছিল, যেগুলো বৃষ্টির পানি দ্রুত নদীতে নিয়ে যেত। কিন্তু দখল, ভরাট এবং অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে অনেক খাল সংকুচিত বা মৃতপ্রায়। কোথাও কোথাও খালের জায়গায় গড়ে উঠেছে স্থাপনা, আবার কোথাও ময়লা-আবর্জনায় পানি চলাচল প্রায় বন্ধ। এ ছাড়া ড্রেনেজ ব্যবস্থাও বর্তমান জনসংখ্যা ও নগর বিস্তারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
কয়েক দশক আগে যে পরিমাণ পানি নিষ্কাশনের সক্ষমতা বিবেচনায় ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছিল, এখন তার তুলনায় বহুগুণ বেশি বৃষ্টির পানি সামাল দিতে হচ্ছে। ফলে অল্প সময়ে বেশি বৃষ্টি হলেই ড্রেন উপচে পড়ে। ড্রেনের বড় সমস্যা হলো নিয়মিত পরিষ্কার না হওয়া। প্লাস্টিক, পলিথিন, বোতল, নির্মাণসামগ্রীর বর্জ্য এবং গৃহস্থালির ময়লা ড্রেনে ফেলে দেওয়ার কারণে পানি চলাচল ব্যাহত হয়।
ফলে পানি বের হওয়ার পথ না পেয়ে সড়কেই জমে যায়। পাশাপাশি জলাবদ্ধতার আরেকটি বড় কারণ উন্নয়ন প্রকল্পের নামে রাজধানীতে বিভিন্ন সময় সড়ক খোঁড়াখুঁড়ি। কখনো গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি সরবরাহসহ পয়ঃনিষ্কাশনের নামে সমন্বয়হীনভাবে রাস্তা কাটা বা খোঁড়াখুঁড়ি করে বিভিন্ন সংস্থা। এতে জলাবদ্ধতা বাড়ে। ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী।
তাদের মতে, উন্নত বিশ্বের অনেক শহরে ভারী বৃষ্টি হলেও দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় না। কারণ সেখানে প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং সমন্বিত নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হয়েছে। ঢাকাতেও একই ধরনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ছাড়া স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।
প্রতি বর্ষায় জলাবদ্ধতার পর একই প্রতিশ্রুতি, একই উদ্যোগের ঘোষণা এবং একই দুর্ভোগের পুনরাবৃত্তি রাজধানীবাসীর কাছে এখন পরিচিত বাস্তবতা। ফলে জলাবদ্ধতাকে মৌসুমি সমস্যা হিসেবে নয়, বরং নগর ব্যবস্থাপনার একটি কাঠামোগত সংকট হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
নগরবাসী বলছেন, রাজধানী ঢাকায় বৃষ্টি হলেই জলবদ্ধতা নতুন কিছু না। এটি পুরোনো সমস্যা। কিন্তু নতুন নতুন ভবন, রাস্তা ও কংক্রিটের অবকাঠামো নির্মাণের ফলে বৃষ্টির পানি মাটিতে শোষিত হওয়ার সুযোগ কমে গেছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভালো নয়। এ ছাড়া প্রতি বছর কিছু অসাধু কর্মকর্তা দুর্নীতি আর লুটপাটের জন্য নতুন নতুন উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেন।
তারা রাজধানী ঢাকার জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে কোনো উদ্যোগ নেন না। কারণ তারা হালুয়া রুটি থেকে বঞ্চিত হবেন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) জলাবদ্ধতা নিরসনের নামে প্রতি বছর শত শত কোটি টাকা জলে ফেলছে। তারা কাজের কাজ কিছুই করছে না। ফলে প্রতি বছর বর্ষায় তার খেসারত দিচ্ছেন নগরের বাসিন্দারা। এ সমস্যা সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা জরুরি।
অবশ্য ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দাবি, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, খাল দখল ও ভরাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি ক্রমেই আরও জটিল হয়ে উঠছে।
এ সমস্যা নিরসনে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে ডিএসসিসি ও ডিএনসিসি। অন্যদিকে জলাবদ্ধতার অর্থনৈতিক ক্ষতিও কম নয়। বৃষ্টির দিনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থেকে কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়। ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষতি হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিতি কমে যায়, জরুরি রোগীকে হাসপাতালে পৌঁছাতে বিলম্ব হয়। আর সড়কে গাড়ি বিকল হওয়া, দোকান ও বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে সম্পদের ক্ষতি হওয়া তো নিয়মিত ঘটনা।
বিশ্বব্যাংকের ২০১৫ সালের ‘ক্লাইমেট অ্যান্ড ডিজাস্টার রেজিলেন্স অব গ্রেটার ঢাকা এরিয়া’ শীর্ষক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ২০১৪ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে রাজধানী ঢাকার মোট ১১ হাজার কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের চরম বৈরী আবহাওয়া যুক্ত হলে এই ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াবে ১৩ হাজার ৯০০ কোটি থেকে ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসের বাইরে ঢাকা শহরে জলাবদ্ধতার কারণে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার সরাসরি আর্থিক ক্ষতি হয়ে থাকে। সব মিলিয়ে জলাবদ্ধতায় ক্ষতির অঙ্ক বেশ বড়।
সম্প্রতি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের গঠিত দুটি কমিটির মাধ্যমে ঢাকা উত্তরের ২৭টি এবং দক্ষিণের ২৯টি খালের অবৈধ দখলদার মুক্ত করা হবে। খালগুলো দখলমুক্ত করার পর বিমারকেশনের মাধ্যমে খালগুলো দুই পাশে গাইড ওয়াল নির্মাণ করে খালগুলো স্থায়ী সংরক্ষণ করা হবে। ঢাকা শহরের খালগুলো সংরক্ষণ করা না হয়ে গেলে, ঢাকা নগরী বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে। খালের ময়লা অপসারণের মাধ্যমে নগরবাসীকে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার হাত হতে রক্ষা করা হবে।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সভাপতি ও পরিকল্পনাবিদ ড. মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন, রাজধানী ঢাকায় ৫৬টি খালের অস্তিত্ব ছিল। কিন্তু এখন মাত্র ২৬টি খাল রয়েছে। মূলত ঢাকায় খাল, জলাশয় ও নিম্নভূমি ভরাট বা দখল হওয়ায় প্রাকৃতিক নিষ্কাশন ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে। বর্ষাকালে পানি দ্রুত বের হওয়ার পথ সংকুচিত হওয়ায় সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তা ডুবে যায়।
এতে যানজট, জনদুর্ভোগ এবং নগর বন্যা বাড়তে থাকে। এই থেকে উত্তরণের দখল হওয়া খাল উদ্ধার হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। বিশেষ করে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে আরও উদ্যোগ নিতে হবে।
নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, আগে ঢাকার ভেতর অসংখ্য জলাশয় ছিল। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের নামে একে একে তা দখল, ভরাট হয়ে গেছে। এখন বৃষ্টির পানি যাওয়ার জায়গা নেই। আবার গত ২০ বছরের মধ্যে ১৬ বছর ঢাকার খালগুলো ওয়াসার অধীনে ছিল। পরে চার বছর সিটি করপোরেশনের কাছে। তারা জলাবদ্ধতা নিরসনের নেটওয়ার্কটা তৈরি করেনি। বৃষ্টি পড়বে এটিই স্বাভাবিক। কিন্তু এই বৃষ্টির পানি গড়িয়ে খাল হয়ে নদীতে যাবে। কিন্তু পানি বের হওয়ার পথ খুঁজে পায় না। তাই জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে নেটওয়ার্ক তৈরির বিকল্প নেই।
নগর পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, একবার রাস্তা কেটে পানি সরবরাহের পাইপ বসানো, পরে আবার একই ধরনের খনন করে পয়ঃনিষ্কাশনের লাইন বসানো এতে শুধু নাগরিক ভোগান্তিই বাড়ে না, সড়কের স্থায়িত্বও যেমন কমে। আবার তেমন জলাবদ্ধতাও বাড়ে। ফলে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর অদক্ষতা, পরিকল্পনাহীনতা ও সমন্বয়হীনতার কারণে ঢাকায় বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবদুস সালাম বলেন, বর্ষায় প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে পারবো না। ঢাকা শহরে খাল-বিলগুলো নেই। সব বন্ধ হয়ে গেছে। পানি নদীতে নামার পথ কম। সেগুলো বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। এটা আমি করপোরেশনে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই চেষ্টা চলছে। এ বছর কতটা সুযোগ দিতে পারব জানি না। তবে আগামী বছর হয়তো অনেকটা জলাবদ্ধতা কমে আসবে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, জলাবদ্ধতার প্রধান কারণ, স্বল্প সময়ে অতিরিক্ত বৃষ্টি, নগরায়ণের ফলে পানি ধারণক্ষমতা কমে যাওয়া, ড্রেন ও খাল ভরাট বা সংকুচিত হওয়া, অপরিকল্পিত বর্জ্য ফেলা, দীর্ঘদিনের পুরনো ড্রেনেজ ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ।
তবে ডিএনসিসি দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের লক্ষ্যে খাল পুনরুদ্ধার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নিয়মিত খাল ও নালা পরিষ্কার এবং আধুনিক পানি ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নিয়েছে।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/জেডি