রাহুল গান্ধী কোথায় আছে, জানেন না দলের নেতারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ভারতের সংসদ অভিমুখে যাত্রা করা ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সমর্থকদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগের দাবিতে

2026-07-21T23:10:55+00:00
2026-07-21T23:10:55+00:00
 
  বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬,
৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক
রাহুল গান্ধী কোথায় আছে, জানেন না দলের নেতারা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১১:১০ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
ভারতের সংসদ অভিমুখে যাত্রা করা ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সমর্থকদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগের দাবিতে তার বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র, সমাজবাদী পার্টির (এসপি) প্রধান অখিলেশ যাদবসহ বিরোধী জোটের বেশ কয়েকজন নেতাকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।

মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে এ কর্মসূচি চলাকালে পুলিশ রাহুল গান্ধীকে জোরপূর্বক সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়। তবে তাকে কোথায় নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ কোনো তথ্য দেয়নি বলে অভিযোগ করেছে কংগ্রেস।

দলটির নেতা পবন খেরা বলেন, ‘পুলিশ আমাদের জানাতে চাইছে না, তারা রাহুলকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে।’

সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার একদিন পর মঙ্গলবারও শত শত শিক্ষার্থী ও সমর্থক দিল্লির যন্তর মন্তরে জড়ো হন। তাদের দাবি, পুলিশের বলপ্রয়োগ আন্দোলন দমিয়ে রাখতে পারেনি; বরং তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সংকল্প আরও দৃঢ় করেছে।

অবস্থান কর্মসূচি শুরুর পর বিকেল ৪টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী লেখেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে এসে গেছি। গতকাল ছাত্রদের ওপর পুলিশি অত্যাচারের জবাব চাইতে এসেছি। এই সরকার কোনো দায় নিতে চায় না। তারা সংসদে বিতর্কও চায় না। দেশের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার অপরাধে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।’


প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিরোধী নেতাদের অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লি পুলিশ দ্রুত অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার করে। এক ঘণ্টার মধ্যে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য ও যানবাহন লোককল্যাণ মার্গে মোতায়েন করা হয়। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রাহুল গান্ধীসহ অন্যান্য নেতার সঙ্গে কথা বলেন।

এদিকে বিজেপির নেতারা অভিযোগ করেন, বিরোধী নেতাদের এই কর্মসূচির কারণে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে কংগ্রেস এ অভিযোগ নাকচ করে দাবি করেছে, তাদের অবস্থান কর্মসূচি ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ।

পরে বিকেল পৌনে ৬টার দিকে এক্সে দেওয়া আরেকটি পোস্টে রাহুল গান্ধী লেখেন, ‘ছাত্রদের ওপর হামলা মানে প্রতিটি ভারতীয় পরিবারের ওপর হামলা। প্রধানমন্ত্রী মোদি মনে করেন, তিনি কোনো জবাবদিহি ছাড়াই পার পেয়ে যাবেন। এবার তা হবে না। ছাত্রদের ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করতে বিশ্বাসী প্রত্যেক দেশপ্রেমিক ভারতীয়কে আমি এই আন্দোলনে শামিল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। ভারতীয় ছাত্রদের কণ্ঠ কখনো স্তব্ধ হবে না।’

অন্যদিকে, একই দিনে দিল্লি হাইকোর্ট অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুককে তার পছন্দের হাসপাতাল মেদান্তে স্থানান্তরের অনুমতি দিয়েছেন। এর আগে সফদারজং হাসপাতাল থেকে তাকে স্থানান্তরের আবেদন একক বিচারপতির বেঞ্চ খারিজ করে দিয়েছিল। ওই আদেশের বিরুদ্ধে তার স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো আপিল করলে শুনানি শেষে আদালত স্থানান্তরের অনুমতি দেন।

সময়ের আলো/আরবিএন 


  বিষয়:   রাহুল গান্ধী  ককরোচ জনতা পার্টি 


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: