সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে অনতিবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ইনকিলাব মঞ্চ।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর পদত্যাগের পরপরই রাজধানীর শাহবাগ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা ‘চুপ্পু ধর, জেলে ভর’, ‘খুনি চুপ্পুর বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘বাংলাদেশের আজাদী, ওসমান হাদি’ এবং ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম, সংগ্রাম’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সমাবেশে বক্তব্য দেন আব্দুল্লাহ আল জাবের। তিনি বলেন, খুনি হাসিনার সহযোগী, স্বৈরাচারের দোসর, ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রপতি চুপ্পুর শুধু পদত্যাগ করলেই হবে না। এই চুপ্পুর আমলনামায় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ভারতের কাছে বিলিয়ে দেওয়ার দস্তখত ছিল। এই চুপ্পুর আমলনামায় বাংলাদেশে গুম, খুন ও হত্যার রাজনীতি চলেছিল।
তিনি আরও বলেন, হাসিনা শুধু শুধু চুপ্পুকে রাষ্ট্রপতি বানায়নি। হাসিনার আশপাশের মানুষের দিকে তাকিয়ে দেখেন, প্রত্যেকের শরীর থেকে শুয়োরের গন্ধ আসে, যারা স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের মানুষের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন করে আসছে। তারা শুধু হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, পেট কেটে সমুদ্রে ভাসিয়ে দিয়েছে। তারা শুধু গুম করেই ক্ষান্ত হয়নি, গুমের শিকার পরিবারের সদস্যদের গণধর্ষণ পর্যন্ত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই জুলাইয়ে প্রায় ত্রিশ হাজারের মতো আমাদের সহযোদ্ধাদের আহত করেছে, চৌদ্দশোর অধিক মানুষকে হত্যা করেছে। তাই শুধু চুপ্পুর পদত্যাগ সমাধান নয়। তাকে অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। এই চুপ্পুর ব্যাপারে বর্তমান সরকার যদি কোনো আপসের ফয়সালা করে, তাহলে আমরা সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে অবতীর্ণ হবো। এখানে কোনো আপস চলবে না।
সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, আমাদের কথা একটাই-আগামীকাল সুবহে সাদিকের পূর্বে চুপ্পুকে গ্রেফতার করতে হবে। চুপ্পু যদি কোনোভাবে সেফ এক্সিট পেয়ে যায়, তাহলে বর্তমানে যারা ক্ষমতায় আছেন, তারা সেফ এক্সিট পাবেন না। এখন নিজের কাছে প্রশ্ন করুন, আপনি সেফ এক্সিট নেবেন, নাকি তাকে সেফ এক্সিট দেবেন? এই সিদ্ধান্ত আপনাদের কাছে দিয়ে গেলাম।
সময়ের আলো/আরবিএন