ভারতের শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক দাবি করেছেন, দিল্লির সাফদারজং হাসপাতালে ভর্তি থাকার সময় তাকে ‘বন্দির মতো’ রাখা হয়েছিল। শুক্রবার রাতে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি অভিযোগ করেন, হাসপাতালে থাকাকালে তাকে স্বাধীনভাবে চলাফেরা, দর্শনার্থীদের সঙ্গে দেখা করা এমনকি নিজের মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ ব্যবহারেরও অনুমতি দেওয়া হয়নি।
ওয়াংচুক বলেন, পরিস্থিতি ছিল উত্তর কোরিয়ার মতো।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, দিল্লি হাইকোর্ট তাকে মেদান্তা হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুমতি দিলেও সাফদারজং হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দিতে কর্তৃপক্ষ কয়েক ঘণ্টা বিলম্ব করে।
ওয়াংচুকের দাবি, পরে মেদান্তা হাসপাতালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে.পি. নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে কথিত নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার পর আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ, পরীক্ষা ব্যবস্থায় জবাবদিহি ও সংস্কার নিয়ে সংসদে আলোচনা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেন তারা।
তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না— সরকারের কাছ থেকে এ বিষয়ে লিখিত নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত তিনি অনশন ভাঙতে রাজি হননি। পরে সরকারের লিখিত আশ্বাস পাওয়ার পরই তিনি ২৬ দিনের অনির্দিষ্টকালের অনশন প্রত্যাহার করেন।
সময়ের আলো/কেএইচ