মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে দুই দেশের শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগের কারণ ভিন্ন হলেও, নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের অনিয়ম ও ব্যর্থতার দায় কাঁধে নিয়েই সরে দাঁড়িয়েছেন তারা। ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দুই দিন আগে পদ ছাড়েন অস্ট্রেলিয়ার অস্ট্রেলিয়ান ক্যাপিটাল টেরিটরি-এর শিক্ষামন্ত্রী ইভেট বেরি।
অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম এবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এএসিটি ইন্টেগ্রিটি কমিশনের তদন্তে একটি স্কুল সংস্কার প্রকল্পে ১ কোটি ৮৮ লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলারের চুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে দুই জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তার ‘গুরুতর দুর্নীতির’ প্রমাণ মেলে। তবে তদন্তে ইভেট বেরির বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক প্রধান ক্যাটি হেয়ার এবং বেরির সাবেক চিফ অব স্টাফ জশুয়া সেরামিদাস গোপনে নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন সিএফএমইইউকে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের সুযোগ করে দেন।
পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে ইভেট বেরি বলেন, তিনি ‘পূর্ণ দায়িত্ব’ নিচ্ছেন এবং চান না তদন্ত প্রতিবেদনটি সংসদে অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠুক। তিনি বলেন, নিজের সততা ও নৈতিক অবস্থান অক্ষুণ্ন রেখেই তিনি মন্ত্রিসভা ছাড়ছেন এবং আইনসভার সদস্য হিসেবে কাজ চালিয়ে যাবেন।
অন্যদিকে ভারতে এনইইটি-ইউজি প্রশ্নফাঁস ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা আন্দোলনের মুখে শনিবার পদত্যাগ করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
শিক্ষার্থী সংগঠন, শিক্ষা আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুক, ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এবং বিরোধী দলগুলো দাবি করে আসছিল, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে জবাবদিহি করতে হবে এবং পদত্যাগ করতে হবে।
সময়ের আলো/কেএইচ