৩২ জন যুগ্ম সচিবকে একযোগে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তারা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে চাকরিকাল ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় সরকারি চাকরি আইনের ৪৫ ধারা অনুযায়ী, তাদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর দিয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
বর্তমানে তারা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।
সরকারি চাকরি আইনের ৪৫ ধারা অনুযায়ী, কারও চাকরির বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হলে কোনো ধরনের কারণ দর্শানোর নোটিশ না দিয়েই সরকার তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাতে পারে। বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা অবসর-সুবিধা পাবেন বলে জানানো হয়েছে।
বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো এই কর্মকর্তারা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন জেলায় জেলা প্রশাসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
তারা হলেন—পটুয়াখালীর মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, ভোলার মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, বরিশালের এস এম অজিয়র রহমান, ফেনীর ওয়াহেদুজ্জামান, খাগড়াছড়ির মো. শহীদুল ইসলাম, ঝিনাইদহের সরোজ কুমার নাথ, পাবনার মো. জসিম উদ্দিন, সুনামগঞ্জের মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, কক্সবাজারের মো. কামাল হোসেন, রাঙামাটির এ কে এম মামুনুর রশিদ, লক্ষ্মীপুরের অঞ্জন চন্দ্র পাল, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, ময়মনসিংহের মো. মিজানুর রহমান, এ জেড এম নুরুল হক, শরীয়তপুরের কাজী আবু তাহের, নাটোরের মো. শাহরিয়ার, বান্দরবানের মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, নেত্রকোণার মঈনউল ইসলাম, কুষ্টিয়ার মো. আসলাম হোসেন, কুমিল্লার আবুল ফজল মীর, চাঁদপুরের মো. মাজেদুর রহমান খান, মানিকগঞ্জের এস এম ফেরদৌস, চুয়াডাঙ্গার গোপাল চন্দ্র দাশ, নীলফামারীর নাজিয়া শিরিন, কুড়িগ্রামের মোছা. সুলতানা পারভীন, শেরপুরের আনারকলি মাহবুব, খুলনার মো. হেলাল হোসেন, নরসিংদীর সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, কিশোরগঞ্জের মো. সারওয়ার মোর্শেদ চৌধুরী, হবিগঞ্জের মাহমুদুল কবির মুরাদ, মো. আলী আকবর ও রাজশাহীর এস এম আবদুল কাদের।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ