দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম বলেছেন, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে শতভাগ ভোট পড়েছে এমন কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের খুঁজছে দুদক। ভোট কারচুপির সাথে জড়িত ডিসিসহ সংশ্লিষ্টদের তথ্য সংগ্রহে দুদক কাজ করছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় সবগুলো জাতীয় নির্বাচনই ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। দুদকের কাছে অভিযোগ, এসব নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহার করেছিল শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সরকারি উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে এই অভিযোগে দুদকের ৫ সদস্যের অনুসন্ধান দল কাজ শুরু করে। সেই অনুসন্ধানী দল রাতের ভোট খ্যাত ২০১৮ সালের নির্বাচনে শতভাগ ভোট পড়া কেন্দ্রসহ জালিয়াতির তথ্য-উপাত্ত খুঁজছে।
এদিকে, আদালতের আদেশে বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের মিরপুরে আরেকটি ফ্ল্যাট নিয়ন্ত্রণে নিতে অভিযান চালাচ্ছে দুদক।
বুধবার সংস্থাটির উপপরিচালক হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ একটি টিম ফ্ল্যাটে থাকা মালামাল জব্দ করতে কাজ শুরু করে।
এর আগে, ২২ জুলাই জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ি আবাসিক প্রকল্পের বাসায় সাদা সোনাসহ শত কোটি টাকার সম্পদের প্রমাণ পায় দুদক।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ