গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকায় এক কিশোরী ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করে গণধোলাই দেয় এলাকাবাসী। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পূর্বেই কৌশলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। এ নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (০১আগস্ট) ভোরে মৌচাক এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত রাসেল আহমেদ (৩০) জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ভিটাকান্দি গ্রামের রহমত আলীর ছেলে ।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত রাসেল মৌচাক এলাকায় রেজাউলের বাসা ভাড়া নিয়ে একটি স্থায়ী পোশাক কারখানায় চাকরি করে। একই বাসা ভাড়া নিয়ে ওই কিশোরীরা বাবা মা নিয়ে বসবাস করতো। প্রতিদিনের মতো শুক্রবার রাতে বাবা মার সাথে খাওয়া-দাওয়ার পর ঘরের একটা আলাদা কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে।
এ সুযোগ অভিযুক্ত রাসেল আহমেদ দরজা খোলা পেয়ে ঘরে প্রবেশ করে ওই কিশোরীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এসময় কিশোরীর ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তকে আটক করে গণধোলাই দেয় এলাকাবাসী।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পূর্বেই কৌশলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ও স্থানীয়রা অনেক খোঁজাখুঁজিতেও অভিযুক্তকে পাওয়া যায়নি বলেও জানা গেছে।
ঘটনায় জড়িত অভিযুক্তকে শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। এ নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে মৌচাক ফাঁড়ির এসআই আলমগীর জানান, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অভিযুক্ত রাসেল আহমেদকে গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযানে নেমেছে।
সময়ের আলো/আতা