ডাকযোগে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে হবিগঞ্জের মাধবপুরে আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর মো. খোরশেদ আলম ও ইউপি সদস্যসহ ১৩ জনকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১আগস্ট) বিকালে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে একটি বড় পার্সেলের মাধ্যমে কাফনের কাপড়সহ হত্যার হুমকির একটি বেনামি চিঠি এসে পৌঁছে। ঘটনায় খোরশেদ আলম মাধবপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল রানা।
চিঠিতে সাবেক ইউপি আনোয়ার হোসেন, বর্তমান ইউপি মাহমুদ হোসেন, গ্রামের সর্দার মিসির আলি, আব্দুল গফুর, মিজান কন্ডাক্টর, বজলু, সৈয়দ শিব্বির, আনাস, তালহা, তানজিল ও নোমানকেও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
খোরশেদ আলম জানান, বিকাল ৩টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদের আসার পর মাধবপুর পোষ্ট অফিসের জনৈক ব্যক্তি একটি পার্সেল নিয়ে আসেন। পার্সেলটি ৫২০ টাকা দিয়ে গ্রহণ করেন ইউপি সচিব। পরে সবার সামনে পার্সেলটি খোলা হলে প্রথমেই আমার বরাবরে লেখা একটি খোলা চিটি ও কাফনের কাপড়ের এক টুকরো পাওয়া যায়। এরপর আরও ভিন্ন ভিন্ন ১২টি খামে চিটি পাওয়া যায়। তাৎক্ষনিক বিষয়টি থানার ওসি ও পুলিশ সুপারকে অবগত করে একটি জিডি করা হয়েছে।
চিঠিতে তাকে উদ্দেশ্য করে লেখা হয়, এই চিঠি পাওয়ার পর তোর জীবনে যা আছে করার করে নে। এরপর মাত্র কয়েকদিন বেঁচে থাকবি। আগুন নিয়ে খেলার পরিণাম বুঝবি।
এছাড়া চিঠিতে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করে তাদের চেয়ারম্যান বানানোর কথাও লেখা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা সময়ের আলোকে জানান, বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রেরকের সম্ভাব্য ঠিকানা আমাদের নজরে এসেছে। আমাদের গোয়েন্দা তৎপরতা চলছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই অপরাধীকে সনাক্ত করতে পারব।
সময়ের আলো/আতা