৩০০ কর্মকর্তার বাড়তি দায়িত্ব

রফিকুল ইসলাম সবুজ

জাতীয়

দেশের প্রশাসনিক প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে জনবল সংকটের কারণে কর্মকর্তাদের ওপর ‘অতিরিক্ত দায়িত্বের’ চাপ বাড়ছে। বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে সিনিয়র সহকারী

2026-08-03T02:31:12+00:00
2026-08-03T02:31:12+00:00
 
  সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬,
১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬
জাতীয়
৩০০ কর্মকর্তার বাড়তি দায়িত্ব
রফিকুল ইসলাম সবুজ
প্রকাশ: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩১ এএম 
ছবি : সংগৃহীত
দেশের প্রশাসনিক প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে জনবল সংকটের কারণে কর্মকর্তাদের ওপর ‘অতিরিক্ত দায়িত্বের’ চাপ বাড়ছে। বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে সিনিয়র সহকারী সচিব থেকে শুরু করে অতিরিক্ত সচিব পর্যন্ত তিন শতাধিক কর্মকর্তা তাদের মূল পদের পাশাপাশি অতিরিক্ত একাধিক পদের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। 

মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সবচেয়ে ভয়াবহ চিত্র দেখা গেছে। এই মন্ত্রণালয়ের ২৯ জন কর্মকর্তা একাধিক দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন। এর মধ্যে অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবু নঈম একাই পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ অনুবিভাগের (প্রশাসন ও অর্থ, পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, মেডিকেল এবং আরএম অ্যান্ড পিআর ইউনিট) দায়িত্বে রয়েছেন। 

এ ছাড়া অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, মোহাম্মাদ মফিজুর রহমান এবং কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম প্রত্যেকেই তিনটি করে অনুবিভাগ সামলাচ্ছেন। একইভাবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ১৪ জন কর্মকর্তা, অর্থ বিভাগে ৯ জন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ৭ জন, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগে ৬ জন, কৃষি মন্ত্রণালয়ে ৫ জন, স্থানীয় সরকার বিভাগে ৫ জন এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগে ৫ জন কর্মকর্তা একাধিক দায়িত্বে রয়েছেন। যুগ্ম সচিব থেকে সিনিয়র সহকারী সচিব পর্যায়েও অনেকে ২ থেকে ৪টি পদের দায়িত্ব পালন করছেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন অনুবিভাগ, অধিশাখা ও শাখায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কর্মকর্তা একই সঙ্গে একাধিক দায়িত্ব পালন করছেন। কোথাও একজন যুগ্ম সচিব দুই থেকে তিনটি অধিশাখার দায়িত্বে, আবার কোথাও একজন উপসচিব বা সিনিয়র সহকারী সচিব চার-পাঁচটি শাখার দায়িত্ব পালন করছেন। 

ফলে প্রশাসনিক কার্যকারিতা, কাজের গতি এবং জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ তিনটি অনুবিভাগের (নিরাপত্তা, বহিরাগমন ও রাজনৈতিক অনুবিভাগ), অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মাদ মফিজুর রহমান তিনটি অনুবিভাগ (অগ্নি, আইন ও জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন) এবং অতিরিক্ত সচিব কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম শৃঙ্খলা অনুবিভাগের পাশাপাশি আনসার ও সীমান্ত অনুবিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। 

এ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিবদের মধ্যে গোলাম মোহাম্মদ ভূঁইয়া বাজেট-১, বাজেট-২ এবং কারা অধিশাখা, মো. জসিম উদ্দীন প্রশাসন-১, প্রশাসন-২ এবং পুলিশ-২ অধিশাখা, মোহাম্মদ আবদুল কাদের রাজনৈতিক-২, রাজনৈতিক-৩, আন্তর্জাতিক অপরাধ সংস্থা এবং মেডিকেল অধিশাখা, তৌহিদুল ইসলাম বহিরাগমন-২ অধিশাখা ও আনসার অধিশাখা, রেবেকা খান রাজনৈতিক-১ ও সীমান্ত অধিশাখা, ড. মো. তরিকুল ইসলাম নিরাপত্তা-১ ও নিরাপত্তা-২ অধিশাখা, মোহাম্মদ আবু কাউছার নিরাপত্তা-৩ ও নিরাপত্তা-৪ অধিশাখা, মো. শফিকুল ইসলাম বহিরাগমন-১ ও বহিরাগমন-৫, কাজী আতিয়ুর রহমান অগ্নি অধিশাখা, আইন-১ ও আইন-২ অধিশাখার দায়িত্বে রয়েছেন।

উপসচিবদের মধ্যে মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম প্রশাসন-৫ ও প্রশাসন-৬, মো. হাফিজ-আল-আসাদ প্রশাসন-৭ ও রাজনৈতিক-৩, কাজী আরিফুর রহমান সচিবালয় নিরাপত্তা শাখা ও বহিরাগমন-২ শাখা, বিকাশ বিশ্বাস বাজেট-১, বাজেট-৩ ও বাজেট-৪, বেগম মিনারা নাজমীন রাজনৈতিক-১ ও রাজনৈতিক-৫, কে. এম. ইয়াসির আরাফাত রাজনৈতিক-২, রাজনৈতিক-৭ ও রাজনৈতিক-৮, ইসরাত জাহান নিরাপত্তা-১ ও নিরাপত্তা-২, মোহাম্মদ আবুল কালাম বহিরাগমন-৩ ও মিশন শাখা, মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বহিরাগমন-৪ ও বহিরাগমন-৬, নাসরীন সুলতানা পুলিশ-২, পুলিশ-৩ ও পুলিশ-৪, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান তালুকদার শৃঙ্খলা-২, ৩ ও ৪, মো. মাহবুব আলম মাদক-১ ও মাদক-২ শাখার দায়িত্বে রয়েছেন। সিনিয়র সহকারী সচিবদের মধ্যে মাসফিকা হোসেন র‌্যাব-১, র‌্যাব-২, পুলিশ-৫ ও আরএম শাখা, নাইমা আফরোজ ইমা আনসার-১ ও আইন-৪, আছমা-উল-হোসনা অগ্নি-২ ও অগ্নি-৩, জোসেফা ইয়াসমিন পরিকল্পনা-১ ও পরিকল্পনা-২ শাখার দায়িত্ব পালন করছেন।

সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগেও জনবল সংকটের প্রভাব স্পষ্ট। এখানে অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ খালেদ হাসান একই সঙ্গে সমন্বয় অনুবিভাগের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সংস্কার অনুবিভাগ ও ব্লু ইকোনমি সেলের অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন। একইভাবে অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির জেলা ও মাঠ প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। যুগ্ম সচিব পর্যায়েও একই চিত্র দেখা যায়। জেলা ম্যাজিস্ট্রেসি অধিশাখার পাশাপাশি জেলা ও মাঠ প্রশাসন অধিশাখার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন তানভীর আহমেদ। 

এস. এম. মাজহারুল ইসলাম কর্মসম্পাদন, বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ অধিশাখার দায়িত্বের পাশাপাশি কর্মসম্পাদন নীতি ও মূল্যায়ন অধিশাখার অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন। ড. সফিকুল ইসলাম অভিযোগ ব্যবস্থাপনা শাখার পাশাপাশি সুশাসন শাখার দায়িত্বও পালন করছেন। মো. ফিরোজ আহমেদ প্রশাসনিক উন্নয়ন ও সমন্বয় অধিশাখার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সিভিল রেজিস্ট্রেশন ও সামাজিক নিরাপত্তা অধিশাখার অতিরিক্ত দায়িত্বের তিনি। উপসচিব মো. মাসউদ পারভেজ মজুমদার উন্নয়ন অভিলক্ষ বাস্তবায়ন শাখার পাশাপাশি সচিবের (সমন্বয় ও সংস্কার) একান্ত সচিবের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে সিনিয়র সহকারী সচিব পর্যায়ে অতিরিক্ত দায়িত্বের সংখ্যা আরও বেশি। মো. মেজবাউল হোসেন মন্ত্রিসভা বৈঠক শাখার পাশাপাশি মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সমন্বয় শাখা এবং মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ শাখার দায়িত্ব পালন করছেন। মো. আক্তারুজ্জামান রিপোর্ট শাখার পাশাপাশি রেকর্ড শাখার অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন।

মোছা. শারমিন ইসলাম মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সমন্বয় শাখার পাশাপাশি বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ শাখার দায়িত্বও পালন করছেন। মীর আলিফ রেজা নিকার-১ শাখার পাশাপাশি তথ্য অধিকার শাখার দায়িত্বে রয়েছেন। নাহিদা আক্তার তানিয়া কর্মসম্পাদন ব্যবস্থাপনা (মূল্যায়ন) শাখার পাশাপাশি উন্নয়ন অভিলক্ষ সমন্বয় ও আন্তঃমন্ত্রণালয় দ্বন্দ্ব নিরসন শাখার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।


 মো. জাহিদুর রহমান কর্মসম্পাদন ব্যবস্থাপনা (বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ-২) শাখার পাশাপাশি শুদ্ধাচার শাখার দায়িত্বও পালন করছেন। ইমতিয়াজ মোরশেদ নিকার-২ শাখার অতিরিক্ত দায়িত্বের পাশাপাশি তোশাখানা ইউনিটের উপপরিচালকের দায়িত্বও পালন করছেন এবং প্রশিক্ষণে থাকা কর্মকর্তাদের প্রতিস্থাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

স্থানীয় সরকার বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ ৫ জন কর্মকর্তা একাধিক পদের দায়িত্বে। অতিরিক্ত সচিব সুরাইয়া আখতার জাহান দুটি অনুবিভাগ সামলাচ্ছেন। যুগ্মসচিব আবু রাফা মোহাম্মদ আরিফকে মূল দায়িত্বের (উপজেলা অধিশাখা) সঙ্গে পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের পরিচালক-১ অধিশাখার অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। 

মো. আব্দুর রহমান মূল দায়িত্বে উপসচিবের (সমন্বয় ও কাউন্সিল) পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদ-২ শাখার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। জিয়াউর রহমানের মূল দায়িত্ব উপসচিব (প্রশাসন-২)। একই সঙ্গে তিনি ইউনিয়ন পরিষদ-১ শাখার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। তাহমিনা আক্তার মূল দায়িত্বে সিনিয়র সহকারী সচিবের (প্রশাসন-১) পাশাপাশি বাজেট শাখার অতিরিক্ত দায়িত্বও তার কাধে। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের উপসচিব রহিমা আক্তার একাই ৩টি পদের (বাজেট, বাজেট-১ ও পরিকল্পনা-১ শাখা) দায়িত্বে আছেন।

কৃষি মন্ত্রণালয়ে ৫ জন কর্মকর্তা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন, যার মধ্যে অতিরিক্ত সচিব ড. রাশিদা ফেরদৌস দুটি অনুবিভাগ পরিচালনা করছেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এম রায়হান আখতারের মূল দায়িত্ব হচ্ছে (সিপি-১ অধিশাখা)। এর পাশাপাশি পিএসিসির এবং সরকারি কর্মচারী ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির কর্মসূচি পরিচালক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। 

শাহ আলম মুকুল মূল দায়িত্ব যুগ্ম সচিবের (বিদেশ প্রশিক্ষণ অধিশাখা) অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ অধিশাখার দায়িত্বও সামলাচ্ছেন। মো. ওয়ালীউল হাসান মূল দায়িত্ব উপসচিব (বিধি-৬ শাখা) হলেও তিনি বিধি-৪ শাখার উপসচিব হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। সিনিয়র সহকারী সচিবদের মধ্যে পারভীন সুলতানার (সওব্য-১১ শাখা) পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন সওব্য-৯ শাখার, মো. আতিক এস. বি. সাত্তার সিপি-৩ শাখার পাশাপাশি সিপি-৪ শাখার অতিরিক্ত দায়িত্বে, মো. জাহিদ হাসান সিদ্দিকী কল্যাণ শাখার পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব অনুদান ও হাসপাতাল শাখা এবং মো. মোস্তফা কামাল বিধি-৭ শাখার পাশাপাশি বিধি-৮ শাখার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।

অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বেশিরভাগই নীতিনির্ধারণী ও প্রশাসনিক গুরুত্বপূর্ণ শাখায় কর্মরত। ফলে একই কর্মকর্তাকে ভিন্ন প্রকৃতির দুটি দফতরের কার্যক্রম তদারকি করতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন সাময়িকভাবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হলেও দীর্ঘ সময় ধরে একই ব্যবস্থা চললে কাজের গতি কমে যেতে পারে। পাশাপাশি জবাবদিহি ও কার্যকর তদারকিতেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে। তাদের মতে, শূন্যপদে দ্রুত পদায়ন এবং দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে এ পরিস্থিতির সমাধান করা প্রয়োজন। 

কর্মকর্তারা জানান, একই কর্মকর্তা একাধিক পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করায় কর্মকর্তাদের ওপর মানসিক ও কাজের চাপ যেমন বাড়ছে, তেমনি বিঘ্নিত হচ্ছে ফাইলের গতি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের পর অনেক কর্মকর্তাকে ওএসডি করার পাশাপাশি বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। এ কারণে সচিবালয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে কর্মকর্তার সংকটে অনেককে সামলাতে হচ্ছে একাধিক অনুবিভাগ, অধিশাখা ও শাখার দায়িত্ব। যদিও সহকারী সচিব থেকে অতিরিক্ত সচিব পর্যন্ত বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অনুমোদিত পদের চেয়ে বেশি কর্মকর্তা রয়েছেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রশাসনে সিনিয়র সচিব ও সচিব পদ ৮৯টি এবং অতিরিক্ত সচিবের পদ ২১২টি, যুগ্ম সচিবের ৫০২টি, উপসচিবের এক হাজার ৭৫০টি এবং সিনিয়র সহকারী সচিবের এক হাজার ১৪৩টি পদ রয়েছে। এর বিপরীতে প্রশাসনে কর্মরত সচিব রয়েছেন ৮৩ জন এবং অতিরিক্ত সচিব রয়েছেন ৩৫৩ জন, যুগ্ম সচিব এক হাজার ২৬ জন, উপসচিব এক হাজার ৪৮৫ জন ও সিনিয়র সহকারী সচিব ২ হাজার ১১৯ জন। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে উপসচিব ছাড়া সব পদেই কর্মকর্তার সংখ্যা বেশি।

অতিরিক্ত দায়িত্ব নেওয়া একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে জনপ্রশাসন মনস্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) মো. রাহেদ হোসেন সময়ের আলোকে বলেন, প্রশাসনে কিছু পদশূন্য থাকার কারণে একাধিক পদে একই কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পদ শূন্য থাকলে তো সুষ্ঠুভাবে কাজ সম্পাদনের জন্য কাউকে না কাউকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিতে হবে। শূন্যপদগুলো পূরণ হলে এই সমস্যা থাকবে না বলে জানান তিনি।

সময়ের আলো/এসএকে


  বিষয়:   কর্মকর্তা  বাড়তি দায়িত্ব  সময়ের আলো 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: