নড়াইল সদর উপজেলায় ৫ বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত শেষ করে ১১ কার্যদিবসের মধ্যে আদালতে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) নড়াইল আদালতে এই চার্জশিট জমা দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।
দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করে অভিযোগপত্র দাখিল করায় ভিকটিমের পরিবার ন্যায়বিচার পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে পুলিশ প্রশাসন।
এর আগে গত ২০ জুলাই সন্ধ্যায় নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের দত্তপাড়া এলাকা থেকে শিশুটি নিখোঁজ হয়। স্বজনরা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে অভিযুক্ত রবিউল শিকদারের (৩৫) ঘরের ভেতরে কাঁথা দিয়ে ঢাকা অবস্থায় শিশুটির মরদেহ দেখতে পান।
পরিবারের অভিযোগ, শিশুটিকে প্রলোভন দেখিয়ে ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে রবিউল।
ঘটনা জানাজানি হলে পরদিন মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ অভিযুক্ত রবিউলকে আটক করে। মর্মান্তিক এই ঘটনার পর পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দোষীর ফাঁসির দাবিতে ক্ষুব্ধ জনতা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করে।
নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুণ্ডু জানান, চাঞ্চল্যকর এই শিশু হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে। রেকর্ড ১১ কার্যদিবসের মধ্যে আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতে সব ধরনের আইনগত প্রক্রিয়া ও তথ্য-প্রমাণ সঠিক নিয়মে উপস্থাপন করা হয়েছে।
সময়ের আলো/আতা