নেত্রকোনার কন্টেন্ট ক্রিয়েটর রিপনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন।
অভিযুক্ত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া (৩০) সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের নন্দুরা গ্রামের মঞ্জিল মিয়ার ছেলে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘রিপন ভিডিও’ নামে পরিচিত তিনি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সঙ্গে তার বাড়ীর পিছনে রিপন মিয়াকে দেখা যায় বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একটি সালিশ বসে। সালিশে রিপন মিয়াকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সালিশের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জরিমানার টাকা পরিশোধ করে গ্রাম ছাড়তে তাকে এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়।
সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে সালিশের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি নজরে আসার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে পুলিশ। মঙ্গলবার রিপন মিয়ার বাড়িতে গিয়ে তাকে পায়নি। ঘটনার পর থেকে রিপন মিয়া এলাকা ছেড়ে চলে যায় বলে জানায় স্থানীয়রা।
রিপন মিয়ার স্ত্রী চম্পা আক্তার জানান, এই ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। এলাকার মানুষের নিকট থেকে শুনেছেন। তিনি আরও জানান, ঘটনাটি অন্যায়ভাবে রিপন মিয়ার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিন্ন মতামত প্রকাশ হচ্ছে। অনেকেই এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবী জানিয়েছেন। অনেকেই বিষয়টি নিয়ে তার পক্ষেও কথা বলছেন।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, এ ঘটনায় মডেল থানায় ভুক্তভোগীর বাবা একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্তকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।
সময়ের আলো/আতা