এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রায় দুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে কম পাসের হার হয়েছে এবার। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। পরীক্ষায় অংশ নিয়েও ফেল করেছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ শিক্ষার্থী। ২০০৭ সালের পর এটিই সর্বনিম্ন পাসের হার।
এবার পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন। পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। ছাত্রীদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ, আর ছাত্রদের ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাসের হার ঢাকা বোর্ডে ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। সবচেয়ে কম ময়মনসিংহে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ। মাদরাসা বোর্ডে দাখিলের পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং কারিগরি বোর্ডে ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, এবার ইংরেজি ও গণিতে বেশি ফেল করায় পাসের হার কমেছে। বিশেষ করে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা এ দুটি বিষয়ে বেশি খারাপ করেছে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, মানবিক বিভাগে এবার বড় ধরনের বিপর্যয় হয়েছে। ইংরেজি ও গণিতে দুর্বলতার কারণে এ বিভাগে ফেলের সংখ্যা বেশি।
শিক্ষকরা বলছেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার বাইরে মোবাইল ফোন ব্যবহারে বেশি সময় দেওয়া, গণিত ও ইংরেজির প্রতি দুর্বলতা এবং বিদ্যালয়ে মানসম্মত পাঠদানের ঘাটতি এর অন্যতম কারণ।
তবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এবার ফল খারাপ হয়নি, বরং ‘সুন্দর’ হয়েছে। তার ভাষ্য, শিক্ষার্থীরা খাতায় যা লিখেছে, সে অনুযায়ীই নম্বর পেয়েছে। কেউ চাইলে খাতা চ্যালেঞ্জ করে পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ পাবে।
সময়ের আলো/কেএইচও