ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি থেকে মোটরসাইকেল কিনতে টাকা পরিশোধ করার ৫ বছর পরও পণ্য বা অর্থ ফেরত না পাওয়ায়, প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন আইনজীবী হাচিবুর রহমান রাজু। এ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ঝালকাঠি সদর আমলি আদালতের বিচারক এ আদেশ দেন। বুধবার মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন।
মামলার বাদী হাচিবুর রহমান রাজু ঝালকাঠি সদর উপজেলার পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকার বাসিন্দা ও জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২১ সালের ১২ মার্চ ইভ্যালির অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে তিনি একটি বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি ডাবল ডিস্ক মোটরসাইকেল অর্ডার করেন। একই বছরের ১৫ মার্চ ‘নগদের’ মাধ্যমে মোটরসাইকেলের মূল্য বাবদ ১ লাখ ৬ হাজার ৯৪০ টাকা পরিশোধ করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মোটরসাইকেল সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে, ইভ্যালি কর্তৃপক্ষ ২০২১ সালের ৭ অক্টোবর স্থানীয় শোরুম থেকে মোটরসাইকেল কেনার জন্য ১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার একটি চেক দেয়। কিন্তু ব্যাংকে চেকটি জমা দিলে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট হিসাবটি ফ্রিজ করা রয়েছে। এরপর একাধিকবার যোগাযোগ করেও তিনি অর্থ বা মোটরসাইকেল কোনোটিই পাননি।
বাদী হাচিবুর রহমান জানান, বিষয়টি আদালতের বাইরে মীমাংসারও চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে, অভিযুক্তরা অর্থ ফেরত না দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত প্রতারণার অভিযোগে আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন বলেন, ‘আদালত অভিযোগের প্রাথমিক ভিত্তি বিবেচনায় নিয়ে ২ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। পরবর্তী কার্যক্রম আইন অনুযায়ী চলবে।’
সময়ের আলো/মহু