বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির শূন্য পদে সদ্য জায়গা পাওয়া চার নেতার মধ্যে আলোচনায় উঠে এসেছেন সাবেক সচিব মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। মাঠের মূলধারার রাজনীতিতে দীর্ঘদিন দৃশ্যমান না থাকলেও প্রশাসনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং দলের প্রতি নিরবচ্ছিন্ন আনুগত্যের সুবাদেই তিনি স্থায়ী কমিটিতে ঠাঁই পেয়েছেন বলে জানিয়েছে বিএনপি সূত্র।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্থায়ী কমিটির নতুন চার সদস্য হিসেবে অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মো. আমানউল্লাহ আমান, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ও মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর নাম ঘোষণা করেন।
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার সন্তান ইসমাইল জবিউল্লাহ তার দীর্ঘ প্রশাসনিক জীবনে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৫ সালে বিএনপি সরকারের আমলে তিনি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন।
সরকারি চাকরি থেকে অবসরের পর তিনি সক্রিয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পাওয়ার আগে বিএনপির উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
এ ছাড়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটিরও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি। প্রশাসনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সমন্বয়ে এবার বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে স্থান পেলেন সাবেক এই আমলা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে সচরাচর রাজপথের পরীক্ষিত ও জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতাদেরই প্রাধান্য দেওয়া হয়। তবে ইসমাইল জবিউল্লাহর ক্ষেত্রে তার দীর্ঘ প্রশাসনিক দক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনা ও সাংগঠনিক কৌশল প্রণয়নের বিষয়গুলোকেই মূল যোগ্যতা হিসেবে মূল্যায়ন করেছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।
সময়ের আলো/জেডি