অস্ত্রবিরতির মধ্যেই আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ইসরায়েল-লেবানন সীমান্ত। দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর হামলায় তিন ইসরায়েলি সেনা গুরুতর আহত হওয়ার পর পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরের ওই হামলায় লেবাননে ১১ জন নিহত ও ১৯ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর।
নেতানিয়াহুর দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, লেবানন সীমান্তে ইসরায়েলি জনপদগুলোর নিরাপত্তায় নিয়োজিত সেনাদের ওপর হামলা চালিয়ে অস্ত্রবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে হিজবুল্লাহ। দক্ষিণ লেবাননের আলী তাহের এলাকায় ওই হামলায় তিন ইসরায়েলি সেনা গুরুতর আহত হন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হামলার জবাবে ইসরায়েলি সেনারা হিজবুল্লাহর একটি সদর দপ্তরে হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, ওই সদর দপ্তর থেকেই ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
তবে ইসরায়েলি হামলায় নারী ও শিশুসহ বেসামরিক লোকজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবাননের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো। তাদের প্রতিবেদনে হামলায় বেসামরিক হতাহতের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে।
এর জবাবে নেতানিয়াহুর দপ্তর দাবি করেছে, হামলার পর তারা জানতে পারে, হিজবুল্লাহর ওই সদর দপ্তরে বেসামরিক লোকজন অবস্থান করছিল। তবে নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা বা তাদের পরিচয় সম্পর্কে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
অস্ত্রবিরতি কার্যকর থাকার মধ্যেই পাল্টাপাল্টি হামলার এ ঘটনা লেবানন সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এতে দীর্ঘদিনের সংঘাতের পর প্রতিষ্ঠিত অস্ত্রবিরতি কতটা কার্যকর থাকবে, সে প্রশ্নও সামনে এসেছে।
সময়ের আলো/এসএকে