চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ইউরোপে পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে অন্তত ১ হাজার ৬৬৮ জন অভিবাসী নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন। যা ২০২৫ সালের একই সময়ের (১,০৩৫ জন) তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেশি। বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রা এবং সেন্ট্রাল ভূমধ্যসাগরীয় রুটে উদ্ধার তৎপরতায় নানা বাধার কারণেই এই প্রাণহানি বাড়ছে।
এনজিও অ্যালার্ম ফোন ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে জানা যায়, ইউরোপগামী অবৈধ অভিবাসীদের প্রধান ট্রানজিট হিসেবে এখনো শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে লিবিয়া। লিবিয়া ও তিউনিসিয়া থেকে লাম্পেদুসা দ্বীপ হয়ে ইতালি পৌঁছানোর এই পথটি অত্যন্ত বিপজ্জনক।
এনজিও এসওএস মেদিতারানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সেন্ট্রাল ভূমধ্যসাগরীয় রুটে যাত্রা করা অভিবাসীদের মধ্যে সর্বাধিক ২৬ শতাংশই বাংলাদেশের নাগরিক। তালিকায় পরবর্তী স্থানগুলোতে রয়েছে ইরিত্রিয়া (১৬%), সুদান (১৩%), পাকিস্তান (১২%) এবং মিশর (৯%)।
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের মতে, এ বছর ইউরোপে পৌঁছাতে পারা মানুষের সংখ্যা ২৬ হাজার ৬০০ জনে নেমে এলেও মৃত্যু বা নিখোঁজের অনুপাত আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ইইউ সীমান্তগুলোতে বাধা জোরদার হওয়ায় পথগুলো যেমন অধিক বিপজ্জনক হচ্ছে, ঠিক তেমনি নিহতের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সময়ের আলো/জেডি