চুক্তির জালে আটকা সচিব হওয়ার পথ

রফিকুল ইসলাম সবুজ

জাতীয়

প্রশাসনের শীর্ষ পদে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের একের পর এক চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে আটকে যাচ্ছে নিয়মিত কর্মকর্তাদের পদোন্নতির পথ। একটি সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক

2026-08-19T01:46:25+00:00
2026-08-19T01:46:25+00:00
 
  বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬,
৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
জাতীয়
চুক্তির জালে আটকা সচিব হওয়ার পথ
রফিকুল ইসলাম সবুজ
প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪৬ এএম 
সংগৃহীত ছবি
প্রশাসনের শীর্ষ পদে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের একের পর এক চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে আটকে যাচ্ছে নিয়মিত কর্মকর্তাদের পদোন্নতির পথ। একটি সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ মানেই অন্তত এক বছর সেই পদে নতুন করে পদোন্নতির সুযোগ সংকুচিত হওয়া। এর প্রভাব পড়ছে নিচের সারির তিন-চারজন কর্মকর্তার ক্যারিয়ারে। বিশেষ করে আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে সচিব ও অতিরিক্ত সচিব হওয়ার অপেক্ষায় থাকা কর্মকর্তাদের মধ্যে এ নিয়ে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে। চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও একই কর্মকর্তাকে আবার চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়ার ঘটনায় অসন্তোষ আরও তীব্র হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, প্রশাসনকে দক্ষ, মেধাভিত্তিক ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার প্রত্যাশা ছিল নতুন সরকারের কাছে। দীর্ঘদিনের রাজনীতিকীকরণ, পদায়ন ও পদোন্নতিতে অনিয়ম এবং দলীয় পরিচয়ের প্রভাব থেকে প্রশাসনকে বের করে আনার দাবিও ছিল জোরালো। কিন্তু সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই শীর্ষ প্রশাসনে একের পর এক চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ সেই প্রত্যাশার বিপরীতে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিশেষ করে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর একই পদে পুনরায় চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়ার ঘটনায় অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন সচিবসহ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া সিনিয়র সচিব, সচিব ও সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা রয়েছেন ২২ জন। এর বাইরে গত ২৩ জুলাই নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিবসহ গ্রেড-২ পদমর্যাদার আরও ১২টি গুরুত্বপূর্ণ পদে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, চুক্তিতে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতার পাশাপাশি বাড়িভাড়া ও অন্যান্য সুবিধা দিতে হয়। বর্তমানে একজন সচিবের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা এবং সিনিয়র সচিবের ৮২ হাজার টাকা। এর সঙ্গে বাড়ি ভাড়া ও সার্বক্ষণিক গাড়ির সুবিধা রয়েছে। 

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হিসাবে একজন চুক্তিভিত্তিক সচিবের বেতন ও বাড়ি ভাড়া বাবদ সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় বছরে ৩০ লাখ টাকারও বেশি হতে পারে। অন্যদিকে ওএসডি ও সংযুক্ত থাকা ৭১৪ কর্মকর্তার বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা বাবদ প্রতি মাসে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে। অর্থাৎ একদিকে অবসরপ্রাপ্তদের চুক্তিতে ফিরিয়ে এনে অতিরিক্ত ব্যয়, অন্যদিকে কর্মরত কর্মকর্তাদের দায়িত্বহীন রেখে বেতন-ভাতা- দুই দিক থেকেই প্রশাসনে রাষ্ট্রীয় অর্থের ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে।

প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অভিযোগ, অবসরে যাওয়া এবং বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বা মতাদর্শে বিশ্বাসী কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। একই সময়ে আগের সরকারের আমলে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের অনেককে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কাউকে বাধ্যতামূলক অবসর, কাউকে ওএসডি এবং কাউকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত রাখা হয়েছে। এতে সবচেয়ে বড় চাপ পড়ছে পদোন্নতির অপেক্ষায় থাকা কর্মকর্তাদের ওপর। কারণ একটি সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ হলে সেই পদটি সাধারণত এক বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য আটকে যায়। ফলে নিচের সারির যোগ্য কর্মকর্তাদের পদোন্নতির সুযোগও সংকুচিত হয়। 

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এভাবে একেকটি পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের প্রভাব নিচের দিকে তিন থেকে চারজন কর্মকর্তার ক্যারিয়ারে পড়ে। ফলে আগামী এক বা দুই বছরের মধ্যে যারা সচিব ও অতিরিক্ত সচিব পদোন্নতি পেতে চান নতুন করে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে ওইসব ব্যাচের কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে। তারা বলছেন, চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়ার ফলে আগামী এক বা দুই বছরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই পদগুলো ব্লক হয়ে গেছে। এতে যারা সচিব হওয়ার যোগ্য তারা হতে পারবেন না।

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ১৮ ফেব্রুয়ারি অবসরপ্রাপ্ত সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তারকে এক বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নিয়োগ দেওয়া হয়। এ ছাড়া গত ২৪ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীকে এক বছরের জন্য চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়। ১ মার্চ অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ৩ মার্চ মো. শহীদুল হাসানকে স্থানীয় সরকার বিভাগে, রফিকুল আই মোহাম্মদকে কৃষি মন্ত্রণালয়ে, আবদুল খালেককে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে এবং মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীকে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব হিসেবে ১ বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়। রফিকুল আই মোহাম্মদকে সম্প্রতি রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের জনবিভাগে বদলি করা হয়েছে। 

এ ছাড়া গত ১৫ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক পদে চুক্তিতে নিয়োগ পান পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্বে থাকা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল। ২৫ মার্চ এস এম এবাদুর রহমানকে এক বছরের চুক্তিতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব নিয়োগ দেওয়া হয়। 

সর্বশেষ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হকের চুক্তির মেয়াদ ১৭ আগস্ট শেষ হওয়ার পর ওইদিনই আরও এক বছরের জন্য তাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়। ফলে সরকারের শীর্ষ প্রশাসনিক কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতি বেড়েছে। 

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এটি শুধু ব্যক্তিগত পদোন্নতির বিষয় নয়, এর সঙ্গে প্রশাসনের প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিকতা, নেতৃত্ব তৈরির সুযোগ এবং কর্মকর্তাদের পেশাদার মনোবলের বিষয়টিও জড়িত।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে চুক্তিতে থাকা ১০১ কর্মকর্তার চুক্তি বাতিল করে অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন ধাপে নতুন ৭৯ জনকে চুক্তিতে নিয়োগ দিয়েছিল। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র ও ভূমি মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগসহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দুই বছরের চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে চুক্তিতে নিয়োগ পাওয়া একাধিক সচিবের চুক্তি বাতিল করা হলেও শূন্য পদগুলো নিয়মিত কর্মকর্তাদের পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। বরং নতুন করে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ায় প্রশাসনে ক্ষোভ আরও বেড়েছে।


‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’-এর ৪৯ ধারায় অবসর নেওয়ার পর কোনো কর্মচারীকে জনস্বার্থে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছে। অর্থাৎ চুক্তিতে নিয়োগের আইনি ভিত্তি রয়েছে। কিন্তু এই ধারার প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোন পরিস্থিতিতে, কী ধরনের পদে এবং কোন যোগ্যতার ভিত্তিতে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ফিরিয়ে আনা হবে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার অভাব রয়েছে বলে প্রশাসনের কর্মকর্তারা মনে করেন। 

একজন অতিরিক্ত সচিবের ভাষ্য, কোনো সরকারই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ নিয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা করেনি। ফলে আস্থাভাজন ও দলীয় লোকদের নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয় এবং বাছ-বিচারহীন নিয়োগ নিয়মিত কর্মকর্তাদের বঞ্চিত করে। জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশেষায়িত বা কারিগরি পদে কর্মকর্তা সংকট মোকাবিলায় গত শতকের আশির দশকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের প্রচলন হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে এটি প্রশাসনের রাজনীতিকীকরণের হাতিয়ার হয়ে ওঠে। 

বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে ‘মেরিটোক্রেসির বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের প্রতিশ্রুতি ছিল। সেখানে মেধা, সততা, সৃজনশীলতা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণকে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে যোগ্যতার মাপকাঠি করার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু প্রশাসনের শীর্ষ পদে নতুন করে চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তাদের প্রাধান্য দেখা দেওয়ায় সেই প্রতিশ্রুতির সঙ্গে বাস্তবতার ব্যবধান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন কর্মকর্তারা।

জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর কিছু ক্ষেত্রে পুরোনো ব্যবস্থার পরিবর্তে নতুন প্রশাসনিক সংস্কারের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ, ওএসডি, বাধ্যতামূলক অবসর এবং পদোন্নতিতে অনিশ্চয়তার ঘটনায় সেই প্রত্যাশা ধাক্কা খাচ্ছে। তারা বলছেন, সরকার প্রয়োজনের ভিত্তিতে সীমিতসংখ্যক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে চুক্তিতে নিয়োগ করতেই পারে। বিশেষায়িত দক্ষতা, নির্দিষ্ট প্রকল্প বা বিশেষ প্রশাসনিক প্রয়োজন থাকলে এমন নিয়োগের যৌক্তিকতা রয়েছে। কিন্তু নিয়মিতভাবে কর্মকর্তাদের উপেক্ষা করে একই ধরনের পদে ধারাবাহিকভাবে অবসরপ্রাপ্তদের ফিরিয়ে আনা হলে তা প্রশাসনের স্বাভাবিক পদোন্নতি কাঠামোকে দুর্বল করবে।

সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার অবশ্য মনে করেন, নতুন সরকারকে প্রশাসন গুছিয়ে নিতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে কিছুটা ছাড় দিতে হবে। তার মতে, গত ১৫-১৬ বছরে বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার ‘অপবাদ’ নিয়ে অনেক কর্মকর্তা কষ্ট করেছেন। তাই তাদের মধ্য থেকে যোগ্য, দক্ষ ও সৎ কিছু কর্মকর্তাকে চুক্তিতে ফিরিয়ে আনার প্রয়োজন থাকতে পারে। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের মতো ঢালাওভাবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলে তা সরকার ও দেশের জন্য ভালো হবে না। তাই সরকারের উচিত একটা যুক্তিসংগত জায়গায় থেকে যারা মেধাবী তাদের চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়া। ভেতর থেকেও যারা যোগ্য তাদের পদোন্নতি দেওয়া। কিন্তু দল দেখে এটা করলে লাভ হবে না।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, প্রত্যেকটি সরকারের নিজস্ব কিছু পলিসি ও নির্বাচনি ইশতেহার থাকে, সেগুলো বাস্তবায়নের বিষয়টি গুরুত্ব দিতে হয় থাকে। সে ক্ষেত্রে কিছু অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিতে হয়। সরকারের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালাতে গিয়ে যেভাবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া দরকার, সেভাবেই দেওয়া হচ্ছে। তবে এটা সাময়িক। বর্তমান সরকার ঢালাওভাবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, একেবারে প্রয়োজন ছাড়া কাউকে চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। এ ছাড়া কাউকে এক বছরের বেশি সময়ের জন্য চুক্তিতে নিয়োগও দেওয়া হচ্ছে না।

সময়ের আলো/প্রিন্ট/জেডি 


  বিষয়:   চুক্তি  আটকা  সচিব  প্রশাসন 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: