হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পেছনে শুধু একটি খাবারকে দায়ী করা যায় না। খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি ঘুম, শারীরিক পরিশ্রম, মানসিক চাপ ও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যাও এতে ভূমিকা রাখে। তবে কিছু খাবার অতিরিক্ত বা নিয়মিত খেলে বিপাকীয় সমস্যা বাড়তে পারে, বিশেষ করে পিসিওএস বা থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে।
অতিরিক্ত চিনি
মিষ্টি, কোমল পানীয়ের পাশাপাশি কেচাপ, ফ্লেভারযুক্ত দই ও প্যাকেটজাত খাবারেও বাড়তি চিনি থাকে। নিয়মিত বেশি চিনি খেলে রক্তে শর্করা ও ইনসুলিনের মাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
পরিশোধিত বীজের তেল
সয়াবিন, সূর্যমুখী বা ক্যানোলার মতো তেল অনেক প্যাকেটজাত খাবারেও ব্যবহৃত হয়। অতিরিক্ত তেল খাওয়ার বদলে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি মাছ, বাদাম ও বীজের মতো ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার রাখা ভালো।
দুগ্ধজাত খাবার
দুধকে সরাসরি হরমোনের জন্য ক্ষতিকর বলা যায় না। তবে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে বিশেষ করে ফ্যাটহীন দুধ ব্রণ বাড়াতে পারে। তাই ব্যক্তিভেদে এর প্রভাব ভিন্ন হতে পারে।
কৃত্রিম মিষ্টিকারক
চিনি কমাতে ব্যবহৃত এসব উপাদান অতিরিক্ত গ্রহণ করলে কারও কারও হজমের সমস্যা হতে পারে। তাই মিষ্টি স্বাদের প্রতি নির্ভরতা কমানোই ভালো।
প্রক্রিয়াজাত সয়া খাবার
টোফু, টেম্পে ও এডামামে সাধারণত পুষ্টিকর। তবে অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত সয়া উপাদান বা সাপ্লিমেন্ট নিয়মিত খাওয়ার ক্ষেত্রে, বিশেষ করে থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে, চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
হরমোনের ভারসাম্য ধরে রাখতে কোনো একটি খাবার বাদ দেওয়ার চেয়ে সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।
সময়ের আলো/এমকে