ঘুম থেকে ওঠার পর প্রথম ৩০ মিনিট দিনের মেজাজ, মনোযোগ ও কর্মক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে। অথচ এই সময়েই অনেকে এমন কিছু অভ্যাস করেন, যা শরীর ও মনের স্বাভাবিক জাগরণে বাধা দিতে পারে। তাই সকালটা ভালোভাবে শুরু করতে কয়েকটি বিষয় এড়িয়ে চলা জরুরি।
ঘুম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল হাতে নেওয়া এর মধ্যে অন্যতম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ই-মেইল কিংবা নেতিবাচক খবর দিয়ে দিন শুরু করলে অপ্রয়োজনীয় চাপ ও অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। তাই কিছুটা সময় ফোন থেকে দূরে থাকাই ভালো।
একইভাবে ঘুম থেকে উঠেই দ্রুত বিছানা ছাড়ার অভ্যাসও এড়িয়ে চলুন। কিছুক্ষণ বসে হাত-পা নড়াচড়া ও হালকা স্ট্রেচিং করে ধীরে দাঁড়ালে শরীরকে জেগে ওঠার সময় দেওয়া যায়।
অনেকেই সকালে খালি পেটে চা বা কফি পান করেন। বিশেষ করে অ্যাসিডিটি বা বুকজ্বালার প্রবণতা থাকলে এতে অস্বস্তি বাড়তে পারে। দিনের শুরুতে পানি পান করে পরে নাশতার সঙ্গে চা বা কফি খাওয়া তুলনামূলক ভালো অভ্যাস।
সারারাত পানীয় ছাড়া থাকার পর সকালে পানি না খাওয়াও ঠিক নয়। ঘুম থেকে উঠে পরিমাণমতো পানি পান শরীরকে সতেজ হতে সাহায্য করতে পারে।
এ ছাড়া সকালে ঘর অন্ধকার করে না থেকে জানালা খুলে প্রাকৃতিক আলো ঘরে ঢুকতে দিন। সকালের আলো শরীরের ঘুম-জাগরণ চক্র স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক।
সকাল শুরু হোক ধীরে। পানি পান, আলোতে কিছুক্ষণ থাকা, হালকা স্ট্রেচিং কিংবা কয়েক মিনিট হাঁটা দিনটিকে আরও গোছানোভাবে শুরু করতে সাহায্য করতে পারে।
সূত্র : ওয়েবএমডি, দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া
সময়ের আলো/এমকে