আস্থার সংকট থাকলেও ইসরায়েলের সঙ্গে নিরাপত্তা আলোচনা ফেরার আশা সিরিয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ইসরায়েলের সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে আলোচনা শিগগিরই আবার শুরু হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি। তবে

2026-08-23T15:24:20+00:00
2026-08-23T15:24:20+00:00
 
  রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬,
৮ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
আন্তর্জাতিক
আস্থার সংকট থাকলেও ইসরায়েলের সঙ্গে নিরাপত্তা আলোচনা ফেরার আশা সিরিয়ার
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২৪ পিএম 
ছবি : সংগৃহীত
ইসরায়েলের সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে আলোচনা শিগগিরই আবার শুরু হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি। তবে বর্তমানে ইসরায়েলের ওপর সিরিয়ার কোনো আস্থা নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (২২ আগস্ট) দামেস্কে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শাইবানি বলেন, ইরান যুদ্ধ শুরুর পর সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে নিরাপত্তা চুক্তির আলোচনা স্থগিত হয়ে যায়। তবে কূটনীতির দরজা এখনো খোলা রয়েছে এবং আলোচনায় ফেরার সুযোগ আছে বলে মনে করছে দামেস্ক।

সম্প্রতি সিরিয়ার একটি বিমানঘাঁটিতে ইসরায়েলি হামলার কয়েক দিন পর শাইবানির এই মন্তব্য এলো। তিনি বলেন, সিরিয়ার অগ্রাধিকার হলো ইসরায়েলের হামলা বন্ধ করা। এ জন্য আস্থা তৈরির মতো পদক্ষেপ প্রয়োজন।

শাইবানি বলেন, ‘ইসরায়েল বর্তমানে সিরিয়ার জন্য একটি হুমকি। তাই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ থাকা দরকার। তবে এই যোগাযোগে কোনো ফল না এলে এর প্রয়োজন নেই। আমরা বর্তমানে ইসরায়েলকে বিশ্বাস করি না।’

এক বছরের বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সরকার ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি নিরাপত্তা চুক্তি করানোর চেষ্টা করছে। তবে সিরিয়ার ভূখণ্ডে ইসরায়েলি সেনাদের অবস্থান এবং সিরিয়ার সরকারি স্থাপনায় হামলার কারণে এ আলোচনা বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

শাইবানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে আবার আলোচনার টেবিলে ফেরাতে নিয়মিত চাপ দিচ্ছে। তিনি আশা করেন, শিগগিরই আলোচনা পুনরায় শুরু হবে। তবে এর জন্য এখনো কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঠিক হয়নি।

সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, চলতি বছরের শুরুর দিকে নিরাপত্তা চুক্তির বেশিরভাগ বিষয়েই দুই পক্ষ নীতিগতভাবে একমত হয়েছিল। প্রস্তাবিত চুক্তিতে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ এবং সিরিয়ার ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয় রয়েছে।

এ ছাড়া ইসরায়েল-সিরিয়া সীমান্তের কাছে সিরিয়ার ভূখণ্ডে কয়েকটি নিরাপত্তা অঞ্চল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব রয়েছে। এর মধ্যে একটি বাফার জোনে শুধু জাতিসংঘের উপস্থিতি থাকবে। অন্য অঞ্চলগুলোতে নির্দিষ্ট মাত্রায় সিরীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে।

তবে শাইবানি অভিযোগ করেন, চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ইসরায়েলের আন্তরিকতা দেখা যায়নি। তিনি বলেন, ‘আমরা দেখিনি যে তারা সত্যিই একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়।’

১৯৪৮ সাল থেকে সিরিয়া ও ইসরায়েল আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে। ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে ইসরায়েল সিরিয়ার গোলান মালভূমি দখল করে নেয়।

শাইবানি বলেন, এখন সিরিয়ার সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার হলো নিরাপত্তা চুক্তির আগেই ইসরায়েলি হামলা বন্ধ করা। এরপর শান্তি ও গোলান মালভূমি নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, সিরিয়া শান্তি, কূটনীতি ও পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে স্থিতিশীল সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়।


সময়ের আলো/কেএইচ


  বিষয়:   সময়ের আলো  ইসরায়েল  সিরিয়া 


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: