অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বিভিন্ন কর্মকাণ্ড এবং বর্তমান সরকারের সময়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে ফেসবুকে এক পোস্ট করেছেন বিএনপি নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
পোস্টে রাশেদ খাঁন বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৮ মাসে এনসিপির নেতাকর্মী ও সমন্বয়কদের দাপট দেখেছি। প্রতিদিন গণমাধ্যমের খবর হয়েছে কোনো না কোনো নেতা। যেকারণে শহীদ ওসমান হাদী এনসিপির ৩টা অপরাধ চিহ্নিত করেছিলেন; ১। এনসিপি জুলাই ঐক্য বিনষ্ট করে, ২। আওয়ামীলীগের ৭১ কুক্ষিগত করার ন্যায় এনসিপি জুলাইকে কুক্ষিগত করেছে, ৩। এনসিপি দুর্নীতি করেছে ইত্যাদি।
পোস্টে তিনি বলেন, তবে যাইহোক ইদানিং সেটা আর পরিলক্ষিত হচ্ছে না। মনে হচ্ছে সরকারি দল থেকে বিরোধীদলে যাওয়ার পরে এনসিপির নেতাকর্মীরা আর অপকর্ম করার সুযোগ পাচ্ছে না, যখন তখন সচিবালয়ে কিংবা সচিবের রুমে ঢুকে যাচ্ছেতাইও করা যাচ্ছে না। এক্ষেত্রে সুযোগের অভাবে তাদের সৎ মনে হচ্ছে। এটা অবশ্যই একপ্রকার ভালো। তবে জামায়াত- শিবিরের ক্ষেত্রে ভিন্ন মনে হচ্ছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় তাদের এতো অপকর্ম গণমাধ্যমে আসেনি। কিন্তু এখন পাল্লা দিয়ে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা অপকর্মে সম্পৃক্ত হচ্ছে।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, এজন্য অনেকে লিখছে, ‘সরকারি দলের লোকজন যেখানে ক্ষমতার অপব্যবহার করার কথা, সেখানে উল্টো প্রধান বিরোধীদলের নেতাকর্মীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। যারা বিরোধীদলে যাওয়ার পরে এমন বেপরোয়া হতে পারে, তারা ক্ষমতায় গেলে তো আওয়ামীলীগকেও হার মানাবে।’
এতে তিনি বলেন, আমি সেকথা বলতে চাই না। শুধু এতোটুকুই বলবো, সবার সহনশীল হওয়া উচিত। সবাই মিলে দেশটাকে এগিয়ে নিতে হবে। সরকারি দলের ৬ মাসের মূল্যায়নের পাশাপাশি, বিরোধীদলেও ৬ মাসের মূল্যায়নের মাধ্যমে দেশে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা সৃষ্টি হোক।
সময়ের আলো/কেএইচও