কবি কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবির রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছিলেন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, সমাজে কে এগিয়ে আছে আর কে পিছিয়ে আছে, তা চিহ্নিত করে উপযুক্ত পদক্ষেপ যিনি নিতে পারেন, তিনিই প্রকৃত রাষ্ট্রনায়ক। রাজনীতিবিদের গণ্ডি পেরিয়ে তিনি পৌঁছে যান রাষ্ট্রনায়কের উচ্চতায়। বাংলাদেশে তেমনই এক রাষ্ট্রনায়কের আবির্ভাব ঘটেছিল, যিনি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। স্বাধীনতার সিপাহসালার হিসেবে সিগন্যাল বাঁশি বাজিয়ে যেমন তিনি জাতিকে যুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন, তেমনই রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে শিশুদের সার্বিক বিকাশে দূরদর্শী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান অনুধাবন করেছিলেন, শিশুদের মানসিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশ ছাড়া জাতির অগ্রগতি সম্ভব নয়। তাই তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে ‘নতুন কুঁড়ি’র মতো জনপ্রিয় শিশু-কিশোর প্রতিযোগিতা চালু করেছিলেন। সেই প্ল্যাটফর্ম থেকে আজকের বহু প্রখ্যাত শিল্পী ও অভিনয়শিল্পী তৈরি হয়েছেন।
কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিঃসন্দেহে বহু উঁচু কবি। তবে শিশুতোষ সাহিত্য ও শিশু-কিশোরদের মনন গঠনে কাজী নজরুল ইসলামের অবদান অনন্য ও অতুলনীয়। ‘প্রজাপতি প্রজাপতি’, ‘খাদু দাদু’, ‘খুকী ও কাঠবিড়ালী’ কিংবা ‘আমি হব সকাল বেলার পাখি’র মতো সৃষ্টিগুলোর মাধ্যমে নজরুল শিশুদের মনের গভীরে প্রবেশ করেছিলেন। তিনি তরুণ প্রজন্মকে শৃঙ্খল ভেঙে জ্ঞান-বিজ্ঞানে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জুগিয়েছেন।
সময়ের আলো/কেএইচও