অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে লিটন দাসসহ বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের ইনজুরি ও চিকিৎসা প্রক্রিয়া নিয়ে বিসিবির মেডিকেল বিভাগকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল তীব্র বিতর্ক। সিঙ্গাপুরে গিয়ে লিটনের চোটের নতুন মাত্রা ধরা পড়ার পর প্রশ্ন ওঠে দেশে করা স্ক্যান রিপোর্টের নির্ভুলতা নিয়ে।
তবে সকল বিতর্ক ও সমালোচনার জবাবে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মিরপুর শেরে-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মেডিকেল বিভাগের চেয়ারম্যান সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম দাবি করেছেন, দেশে করা লিটনের স্ক্যান রিপোর্ট পুরোপুরি সঠিক ছিল।
ডা. শামীম জানান, চোট পাওয়ার দুদিন পর প্রথম স্ক্যান এবং ১৪ দিন পর দ্বিতীয় স্ক্যানটি করা হয়েছিল, যার দুটিতেই গ্রেড-ওয়ান ইনজুরির একই তথ্য উঠে এসেছে। তবে অতীতে টিম ম্যানেজমেন্ট বা নির্বাচকদের অনুরোধে চোটগ্রস্ত খেলোয়াড়দের দ্রুত মাঠে ফেরাতে গিয়ে নিয়ম ভাঙার বিষয়টিও অকপটে স্বীকার করেন তিনি।
শামীমের ভাষ্যমতে, কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ বা ম্যাচের তাগিদে খেলোয়াড়দের দ্রুত পুনর্বাসনে পাঠাতে কিংবা আগেই খেলার অনুমতি দিতে বিসিবি মেডিকেল বিভাগকে বিভিন্ন সময় আপস করতে হয়েছে, যা মোটেই উচিত ছিল না।
তবে ভবিষ্যতে ক্রিকেটারদের চোট ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মেডিকেল বিভাগ। বিসিবির এই চেয়ারম্যান সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এখন থেকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের নির্ধারিত প্রটোকল শতভাগ মেনে চলা হবে এবং মেডিকেল বিভাগের স্পষ্ট অনুমতি ছাড়া কোনো খেলোয়াড়কে মাঠে নামার সুযোগ দেওয়া হবে না।
খেলোয়াড়দের ক্যারিয়ার এবং দেশের স্বার্থেই শতভাগ সুস্থ না হয়ে মাঠে নামার ঝুঁকি আর নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সময়ের আলো/টিকে