বাংলাদেশে ভোটারবিহীন নির্বাচনের যুগের অবসান ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকালে নরসিংদীর পলাশে এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি অভিযোগ করেন, ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকার দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছিল। মৃত ব্যক্তিদের ভোট দেওয়া এবং রাতের ভোটের সংস্কৃতি চালু করে মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের দুঃশাসন ও ভোটারবিহীন নির্বাচনের যুগের অবসান ঘটেছে।
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে পলাশের চারজন তাজা প্রাণসহ হাজারো শহিদের রক্তের বিনিময়ে আজ জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে তারেক রহমান দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বলেও যোগ করেন তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালের পর ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশকে যেভাবে পুনর্গঠন করেছিলেন, ঠিক একইভাবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ধ্বংস হয়ে যাওয়া অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামো পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে। বিএনপি কখনো জোর করে ক্ষমতা দখল করেনি বরং গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকেছে।
পলাশের স্থানীয় শিল্পকারখানাগুলো দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে আছে উল্লেখ করে তিনি ঘোষণা দেন যে, অচিরেই পলাশের ধুঁকতে থাকা কলকারখানা সচল করতে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে জেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন ও উপজেলা পরিষদ পর্যন্ত প্রতিটি স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করতে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে।
সময়ের আলো/আতা