সরকারি চাকুরেদের স্বস্তি, বাজারে মূল্যস্ফীতির শঙ্কা

এসএম আলমগীর

অর্থনীতি

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ল সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত। গত সোমবার মন্ত্রিসভায় নতুন পে-স্কেল অনুমোদনের পর স্বস্তি পেয়েছেন সরকারি চাকরিজীবী ও

2026-09-02T00:54:06+00:00
2026-09-02T00:54:06+00:00
 
  বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অর্থনীতি
নতুন পে-স্কেল
সরকারি চাকুরেদের স্বস্তি, বাজারে মূল্যস্ফীতির শঙ্কা
এসএম আলমগীর
প্রকাশ: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৪ এএম 
সংগৃহীত ছবি
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ল সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত। গত সোমবার মন্ত্রিসভায় নতুন পে-স্কেল অনুমোদনের পর স্বস্তি পেয়েছেন সরকারি চাকরিজীবী ও পরিবারের সদস্যরা। এতে সরাসরি সুবিধাভোগী হবেন ৩০ লাখ লোক। তবে বেসরকারি খাতে কর্মরত প্রায় সাড়ে ৪ কোটি কর্মজীবীর বেতন-ভাতা কবে বাড়বে বা আদৌ বাড়বে কি না সে প্রশ্ন উঠেছে। ফলে একদিকে স্বস্তি, অন্যদিকে উৎকণ্ঠা রয়েছে। কেননা সরকারি চাকুরেদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি পাওয়ায় মূল্যস্ফীতির ওপর যে চাপ বাড়বে তার আঁচ সহ্য করতে হবে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে।

অন্যদিকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো স্বস্তির খবর হলেও এর অর্থায়ন সরকারের জন্য বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নতুন পে-স্কেল পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে বছরে অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এই ব্যয় একবারের নয়; বেতন-ভাতা, পেনশন ও সংশ্লিষ্ট সুবিধার ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলবে। নতুন পে-স্কেল সরকারি ৩০ লাখ মানুষের জন্য স্বস্তি বয়ে আনলেও পুরো অর্থনীতির জন্য তৈরি করছে নতুন চ্যালেঞ্জ। বিশ্লেষকদের শঙ্কা, সময়মতো সরবরাহ ও বাজার নিয়ন্ত্রণ করা না হলে বর্ধিত বেতনের টাকা মূল্যস্ফীতির পেটেই চলে যাবে।

Advertisement
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, নতুন টাকা বাজারে এলে মূল্যস্ফীতি বাড়ার ৩টি প্রধান পথ তৈরি হয়। প্রথমত চাহিদাজনিত মূল্যস্ফীতি ঘটবে। নতুন পে-স্কেলে ৩০ লাখ মানুষের হাতে হঠাৎ টাকা আসবে। তারা প্রথমেই খরচ করবে চাল, তেল, মাছ, মাংস, স্কুলের বেতন ও বাড়ি ভাড়ায়। চাহিদা বাড়লে সরবরাহ না বাড়লে দাম বাড়বেই।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক ও সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান সময়ের আলোকে বলেন, পে-স্কেল দেওয়া একটি স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু সমস্যা হলো আমাদের সরবরাহব্যবস্থা দুর্বল। তাই চাহিদার ধাক্কা সরাসরি দামে লাগে। দ্বিতীয়ত খরচজনিত মূল্যস্ফীতি ঘটবে। সরকারি বেতন বাড়লে বেসরকারি কোম্পানির ওপর চাপ আসবে।
 
কোম্পানির খরচ বাড়লে পণ্যের দামও বাড়বে। তা ছাড়া সরকার যদি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বা টাকা ছাপিয়ে চাহিদা মেটায়, তা হলে বাজারে টাকার সরবরাহ বেড়ে যাবে। দীর্ঘমেয়াদে এটি মূল্যস্ফীতিকে উসকে দেবে। তাই একদিকে বেতন বৃদ্ধির সুফল যাতে সরকারি চাকরিজীবীরা পান তার জন্য বাজার ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনতে হবে, যাতে পণ্যমূল্য বেড়ে না যায়। অন্যদিকে বেসরকারি খাতের কর্মরতদের বেতন যাতে বাড়ানো যায়— সে ব্যবস্থাও করতে হবে।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো স্বস্তির খবর হলেও এর অর্থায়ন সরকারের জন্য বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নতুন পে-স্কেল পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে বছরে অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এই ব্যয় একবারের নয়; বেতন-ভাতা, পেনশন ও সংশ্লিষ্ট সুবিধার ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলবে।

সরকার অবশ্য একসঙ্গে পুরো ব্যয় চাপিয়ে না দিয়ে ধাপে ধাপে নতুন কাঠামো বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মূল বেতন ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে তিন ধাপে কার্যকর হবে। বিভিন্ন ভাতা কার্যকর হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। সরকারের আশা, এতে বাজেটের ওপর তাৎক্ষণিক চাপ এবং মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি কিছুটা কমবে।

তবে অর্থনীতিবিদদের প্রশ্ন, ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করলেও দীর্ঘমেয়াদি এই বাড়তি ব্যয়ের অর্থ আসবে কোথা থেকে? রাজস্ব বাড়ানো, অন্য খাতের ব্যয় কমানো এবং ঋণ— সরকারের সামনে মূলত এই তিন পথ রয়েছে। প্রতিটি পথের সঙ্গেই রয়েছে আলাদা ঝুঁকি।

রাজস্বে বড় চাপ 

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে ৯১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন পে-স্কেলের অতিরিক্ত বার্ষিক ব্যয় ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। অর্থাৎ এই বাড়তি দায় বর্তমান রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ১৫.২ শতাংশের সমান।

এখানেই বড় প্রশ্ন— সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনই সরকারের জন্য কঠিন হয়েছে। এর মধ্যে নতুন করে এত বড় স্থায়ী ব্যয় যুক্ত হওয়ায় রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় চাপ বাড়বে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই ব্যয় মেটাতে সবচেয়ে টেকসই পথ হলো রাজস্ব বাড়ানো। করের আওতা সম্প্রসারণ, কর ফাঁকি বন্ধ, কর প্রশাসনের ডিজিটালাইজেশন, অপ্রয়োজনীয় কর-ছাড় পুনর্মূল্যায়ন এবং উচ্চ আয় ও সম্পদের ওপর কার্যকর কর নিশ্চিত করতে না পারলে পে-স্কেলের অর্থায়ন দীর্ঘমেয়াদে কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

ব্যয় কমালে আরেক বিপদ 

সরকার চাইলে অন্য খাতের বরাদ্দ কমিয়েও বাড়তি অর্থের সংস্থান করতে পারে। কিন্তু সেখানেও ঝুঁকি রয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্প, অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা বা উৎপাদনশীল খাতে ব্যয় কমিয়ে যদি বেতন-ভাতা মেটানো হয়, তা হলে বর্তমানের একটি ব্যয় সামলাতে ভবিষ্যতের প্রবৃদ্ধির সক্ষমতা কমে যেতে পারে। কারণ বেতন ও পেনশন তুলনামূলকভাবে অনমনীয় ব্যয়। একবার বাড়ালে তা সহজে কমানো যায় না। অন্যদিকে উন্নয়ন ব্যয় প্রয়োজন অনুযায়ী কমানো বা পিছিয়ে দেওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ। ফলে নতুন পে-স্কেল ভবিষ্যৎ বাজেটের নমনীয়তা কমিয়ে দিতে পারে।

ঋণের পথেও ঝুঁকি 

সরকারের তৃতীয় পথ হলো ঋণ। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘাটতি অনুদান বাদে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এই ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি এবং বৈদেশিক উৎস থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়ার লক্ষ্য ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা।

নতুন পে-স্কেলের ব্যয় মেটাতে এর বাইরে আরও ব্যাংক ঋণের প্রয়োজন হলে সরকারের সুদ ব্যয় বাড়তে পারে। আজকের ঋণ আগামী দিনের বাজেটে সুদ ও আসল পরিশোধের দায় তৈরি করবে। এ ছাড়া ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ চাহিদা বাড়লে বেসরকারি খাতের জন্য ঋণের প্রাপ্যতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অর্থনীতিতে এ পরিস্থিতিকে বলা হয় ‘ক্রাউডিং আউট’। উচ্চ সুদহার, জ্বালানি সংকট ও দুর্বল বিনিয়োগ পরিবেশের মধ্যে এটি নতুন করে বেসরকারি বিনিয়োগকে চাপে ফেলতে পারে।

১৫ শতাংশের সমান নতুন দায়

নতুন পে-স্কেলের বাড়তি বার্ষিক ব্যয় ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। এটি বর্তমান রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ১৫ শতাংশ। বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, নতুন পে-স্কেলের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো এর অর্থায়ন। বছরে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকার এই স্থায়ী দায় রাষ্ট্রের বাজেটে দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি করবে। তিনি বলেন, এই অর্থের পরিমাণ তুলনা করতে গেলে ঢাকার এমআরটি-৬ প্রকল্পের সবশেষ সংশোধিত ব্যয় ৩২ হাজার ৭১৭ কোটি টাকার চেয়ে তিনগুণেরও বেশি। অর্থাৎ নতুন পে-স্কেলের এক বছরের অতিরিক্ত ব্যয়ের পরিমাণ একটি বড় মেগা প্রকল্পের ব্যয়ের তুলনায়ও অনেক বেশি।

তার মতে, সরকারকে স্পষ্ট করতে হবে— এই অর্থের কতটা নতুন রাজস্ব থেকে আসবে, কতটা ব্যয় পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে এবং কতটা ঋণের মাধ্যমে সংস্থান করা হবে। তিনি বলেন, ধাপে ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়ন তাৎক্ষণিক চাপ কমাতে পারে। কিন্তু এটি দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন সমস্যার সমাধান নয়। একই সঙ্গে সরকারি কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির সঙ্গে সেবার মান, দক্ষতা ও জবাবদিহির উন্নয়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

বেতন বাড়বে, বাজারেও বাড়বে চাহিদা 

নতুন পে-স্কেলের ইতিবাচক প্রভাবও রয়েছে। সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী ও অন্যান্য সুবিধাভোগীর হাতে বাড়তি অর্থ গেলে তার একটি অংশ দ্রুত ভোগব্যয়ে চলে আসবে। খাদ্য, পোশাক, বাসস্থান, পরিবহন, শিক্ষা, চিকিৎসা, রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন পণ্য ও সেবার চাহিদা বাড়তে পারে। এতে অভ্যন্তরীণ বাজারে ব্যবসা-বাণিজ্যের গতি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাড়তি ভোগের ফলে ভ্যাট ও অন্যান্য পরোক্ষ কর আদায়ও কিছুটা বাড়তে পারে। ফলে পে-স্কেলের বাড়তি ব্যয়ের একটি অংশ পরোক্ষভাবে সরকারের রাজস্বে ফিরে আসার সুযোগ রয়েছে।

চাহিদা বাড়লে মূল্যস্ফীতির শঙ্কা 

বাজারে চাহিদা বাড়লেও যদি উৎপাদন ও সরবরাহ একই হারে না বাড়ে, তা হলে মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন চাপ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে খাদ্য, নিত্যপণ্য, পরিবহন ও সেবার বাজারে সরবরাহব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি থাকলে বাড়তি অর্থের প্রবাহ দ্রুত দামে প্রতিফলিত হতে পারে। তখন সরকারি কর্মীদের নামমাত্র আয় বাড়লেও প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতার একটি অংশ মূল্যস্ফীতিতে হারিয়ে যেতে পারে। সরকারও এই ঝুঁকি বিবেচনায় পে-স্কেল ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বাজারে অজুহাত চলবে না

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা খুব বেশি নয়। তাদের বেতন বাড়ানো হয়েছে। তবে বেতন বাড়ানোর বিষয়টিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে কেউ যেন বাজারে পণ্যের দাম বাড়াতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, বাজারে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সরকারের দায়িত্ব। গ্যাস, বিদ্যুৎ, পরিবহনসহ সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে স্বাভাবিক কার্যক্রম নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদেরও ব্যবসার পাশাপাশি সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে হবে।


এফবিসিসিআই প্রশাসক বলেন, বড় বড় পাইকারি বাজারে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে অনৈতিক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয় সরকারকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। পণ্যের দাম যাতে অযৌক্তিকভাবে না বাড়ে, সে জন্য এফবিসিসিআইয়ের বাজার নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

পে-স্কেলের নতুন পরীক্ষা 

নতুন জাতীয় বেতন কাঠামোয় সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকা হয়েছে। সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। প্রায় ২৪ লাখ সামরিক ও বেসামরিক কর্মচারী এবং ৯ লাখ ২৫ হাজার অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ও অন্যান্য যোগ্য সুবিধাভোগী এর আওতায় আসবেন।

সরকারের হিসাবে, পুরো কাঠামো বাস্তবায়নে অতিরিক্ত বার্ষিক ব্যয় হবে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। এই বাড়তি ব্যয়ের সংস্থান সংশ্লিষ্ট অর্থবছরের বাজেটে মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোর আওতায় রাখার কথা বলা হয়েছে। ফলে এখন সরকারের সামনে মূল পরীক্ষা হলো— এই অর্থের বাস্তব সংস্থান কীভাবে হবে।

সময়ের আলো/প্রিন্ট/জেডি 
  বিষয়:   সরকারি চাকুরি  স্বস্তি  বাজার  মূল্যস্ফীতি  শঙ্কা  পে-স্কেল 


Loading...
Loading...
অর্থনীতি- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: