আওয়ামী লীগের শাসনামলে সংঘটিত শতাধিক গুম-খুনের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে দশম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে এ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এদিন সকালে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে জিয়াউলকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
দশম সাক্ষ্যগ্রহণের সাক্ষীর নাম আব্বাস মল্লিক (৬০)। তিনি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার বাসিন্দা। জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে তার ভাই আলকাছ মল্লিককে হত্যার অভিযোগও রয়েছে। এর প্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিচ্ছেন তিনি।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করছেন প্রসিকিউটর তাসমিরুল ইসলাম। সঙ্গে রয়েছেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামিমসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।
হাজতখানায় নেওয়ার সময় সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা হাতকড়া ও পুলিশের ভেস্ট পরিহিত অবস্থায় ছিল। যদিও এর আগে অন্যান্য সময় তাকে হাতকড়া ছাড়াই ট্রাইব্যুনালে আনা হতো।
এ বিষয়ে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, ‘কাকে হাতকড়া পরানো হবে বা হবে না, তা জেল কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কীভাবে আসামিকে আদালতে নিয়ে আসবেন, সেটা একান্তই তাদের ব্যাপার। এখানে আমাদের কোনো বক্তব্য নেই। যদি তার প্রতি আচরণের কোনো ব্যত্যয় ঘটে থাকে বা ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বেআইনি কাজ করে, তাহলে আমরা ব্যবস্থা নেব।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ নিয়ে আমরা ট্রাইব্যুনালে কোনো আবেদন করিনি। আবেদন করলে প্রকাশ্যে শুনানি হতো।’
সময়ের আলো/মহু