কলকাতার কাশীপুরের চিৎপুর জ্যোতিনগর কলোনিতে দীর্ঘদিন ধরে পানির সংকট চলছে। কলোনির পাঁচটি সরকারি পানির কল শুকিয়ে রয়েছে। প্রায় ৫ হাজার মানুষের বসবাস এই এলাকায়, যাদের প্রায় ৯৫ শতাংশই মুসলিম।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, পাইপলাইনের কাজের পর থেকেই পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর একাধিকবার পৌরসভা, পুলিশ, স্থানীয় কাউন্সিলর ও বিধায়কের কাছে অভিযোগ করেও সমস্যার সমাধান হয়নি। তাদের দাবি, শুধু পানির সংকট নয়, তাদের উচ্ছেদ করার জন্যই পানি ও বিদ্যুতের মতো মৌলিক সেবা বন্ধ করার চেষ্টা চলছে।
তবে স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক রীতেশ তিওয়ারি এই অভিযোগ থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন। তার বক্তব্য, জমিটি কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষের এবং পানি সরবরাহের দায়িত্ব কলকাতা পৌর করপোরেশনের। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকায় এ নিয়ে তার কোনো ভূমিকা নেই বলেও দাবি করেছেন তিনি।
পাঁচটি কলই শুকনো
উত্তর কলকাতার কাশীপুরের গান অ্যান্ড শেল কারখানার কাছেই চিৎপুর জ্যোতিনগর কলোনি। একদিকে গঙ্গা, অন্যদিকে পুরোনো শিল্পাঞ্চল। প্রায় ২০০ মিটার দীর্ঘ এই কলোনিতে নিম্ন আয়ের প্রায় ৫ হাজার মানুষের বসবাস।
কলোনিতে পাঁচটি সরকারি পানির কল রয়েছে। বাসিন্দাদের দাবি, আগে এসব কল থেকে প্রতিদিন ভোর ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত পানি পাওয়া যেত।
কিন্তু জুলাইয়ের শেষ দিকে এলাকায় পাইপলাইনের কাজ হওয়ার পর পাঁচটি কলই শুকিয়ে যায়। বাসিন্দারা জানান, ২৮ জুলাই রাতের দিকে পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং পরদিন সকাল থেকে তারা আর পানি পাননি।
স্থানীয় বাসিন্দা মহিনুদ্দীন শেখের ভাষ্য, পাইপলাইনের কাজের সময় কলোনির শুরু ও শেষ প্রান্তে দুটি গর্ত খোঁড়া হয়েছিল। এরপর রাতের দিকে পানি বন্ধ হয়ে যায়। পরদিন পানি ফিরে আসবে বলে অপেক্ষা করলেও তা আর হয়নি।
বাসিন্দাদের দাবি, পানি সরবরাহ বন্ধ হওয়ার আগে এলাকায় এ নিয়ে কোনো বড় ধরনের অভিযোগ ছিল না। তারপরও কলকাতা পৌর করপোরেশন ২৬ থেকে ২৮ জুলাই ওই এলাকায় পাইপলাইনের কাজ করে।
পাশের এলাকায় পানি আছে, কলোনিতে নেই
পানি সংকটের বিষয়টি নিয়ে বাসিন্দাদের সবচেয়ে বড় অভিযোগ হলো— কলোনির ঠিক আগে ও পরে থাকা পানির কলগুলোতে পানি রয়েছে। কিন্তু মাঝখানের জ্যোতিনগর কলোনির পাঁচটি কল শুকনো।
স্থানীয়রা দাবি করেন, পাইপলাইনের কাজ করা দুটি স্থানের মাঝের প্রায় ১৫০ মিটার এলাকাতেই পানি সরবরাহ নেই। এই অংশটিই মূলত জ্যোতিনগর কলোনির ভেতরে।
অন্যদিকে, কলোনির বাইরে, বিশেষ করে হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় থাকা কাছাকাছি কলগুলোতে পানি পাওয়া যাচ্ছে বলে তারা জানান। এ কারণেই বাসিন্দাদের মধ্যে ধর্মীয় বৈষম্যের অভিযোগ তৈরি হয়েছে।
তবে পানি সরবরাহ কেন বন্ধ রয়েছে, সেটি ইচ্ছাকৃতভাবে মুসলিমদের লক্ষ্য করে করা হয়েছে কি না— এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এমন কোনো প্রমাণিত সিদ্ধান্তের কথা প্রতিবেদনে নেই।
গঙ্গার পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে
পানি না থাকায় কলোনির বাসিন্দাদের অনেক দূর থেকে পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। কেউ ভ্যানে করে পানি নিয়ে আসছেন, কেউ হাঁটছেন। অনেকে বাধ্য হয়ে গঙ্গার পানি ব্যবহার করছেন।
বিশেষ করে নারী ও শিশুদের দুর্ভোগ বেশি। বাসিন্দারা জানান, প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় পানি সংগ্রহের জন্য দীর্ঘ সময় ব্যয় করতে হচ্ছে। এতে তাদের কাজেও সমস্যা হচ্ছে।
এক নারী জানান, গঙ্গার পানি কাদাময় ও নোংরা। তারপরও সেই পানি দিয়ে বাসন পরিষ্কার ও গোসল করতে হচ্ছে।
বর্ষাকালে গঙ্গায় পানির স্রোত বেশি থাকায় নদী থেকে পানি সংগ্রহ করাও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শিশুদের নদীতে গোসল করাতে গিয়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান বাসিন্দারা।
কয়েকজন নারী শিশুদের ত্বকে র্যাশ ও অন্যান্য সমস্যার কথাও বলেছেন। তবে এসব স্বাস্থ্য সমস্যার চিকিৎসাগত কারণ প্রতিবেদনে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।
এক বাসিন্দার দাবি, একজনের মৃত্যুর পর ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী মরদেহ গোসল করানোর জন্যও কলোনিতে পর্যাপ্ত পানি ছিল না। শেষ পর্যন্ত গঙ্গার পানি ব্যবহার করতে হয়েছে।
বিদ্যুৎ নিয়েও সংকট
পানির পাশাপাশি কিছু সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়েও সমস্যা হয়েছিল বলে জানান বাসিন্দারা।
তাদের অভিযোগ, অবৈধভাবে বিদ্যুৎ নেওয়া হচ্ছে— এমন সন্দেহে সংযোগ বন্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু বাসিন্দাদের দাবি, প্রতিটি বাড়ির আলাদা বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে এবং তারা নিয়মিত বিল পরিশোধ করেন।
জ্যোতিনগর কলোনির বাসিন্দা আলমগীর বিশ্বাস জানান, প্রতিবাদের পর এক সপ্তাহের বেশি সময় পরে বিদ্যুৎ সরবরাহ আবার চালু হয়।
বাসিন্দাদের দাবি, পরে যাচাই করে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
উচ্ছেদের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ
পানি ও বিদ্যুৎ নিয়ে সমস্যার সঙ্গে কলোনির উচ্ছেদ নিয়ে চলমান বিরোধও জড়িয়ে আছে।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, মৌলিক সেবা বন্ধ রেখে তাদের জীবনযাত্রা কঠিন করে তোলা হচ্ছে, যাতে তারা নিজেরাই এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হন।
জ্যোতিনগর কলোনির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর বিশ্বাস বলেন, তাদের ধারণা হলো— পানি ও বিদ্যুতের মতো মৌলিক সুবিধা বন্ধ করার মাধ্যমে বাসিন্দাদের ওপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।
মর্জিনা বেগম নামে এক বাসিন্দাও বলেন, তারা বহু বছর ধরে এখানে বসবাস করছেন। তাই সহজে এলাকা ছেড়ে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।
বিধায়কের মুসলিমবিষয়ক মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক
এই ঘটনার সঙ্গে স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক রীতেশ তিওয়ারির আগের একটি বক্তব্য নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
নির্বাচনের ফল প্রকাশের কয়েক দিন পর তিনি বলেছিলেন, আগামী পাঁচ বছর তিনি মুসলিমদের জন্য কোনো কাজ করবেন না এবং তাদের কোনো সনদও দেবেন না।
তার ওই বক্তব্যের পর জ্যোতিনগরের মুসলিম বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বাড়ে।
কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেছেন, বিধায়কের কাছে সাহায্য চাইতে গেলে তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে এবং উচ্ছেদের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
একজন বাসিন্দার দাবি, বিধায়ক এমন কথাও বলেছেন যে চাইলে কলোনির মসজিদ ভেঙে পুরো কলোনি উচ্ছেদ করা সম্ভব।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তিওয়ারির বক্তব্য হলো, কলোনির জমি তার অধীনে নয় এবং পানি সরবরাহও তার দায়িত্ব নয়।
জমিটি কার, তা নিয়ে আইনি বিরোধ
জ্যোতিনগর কলোনির জমি নিয়ে কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে।
আইনি নথি অনুযায়ী, প্রায় ৩ হাজার ৪৭৮ বর্গমিটার জমির ওপর কলোনিটি গড়ে উঠেছে। জমিটির মালিকানা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি পোর্ট, কলকাতার বলে দাবি করা হয়েছে।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বন্দর কর্তৃপক্ষের এস্টেট কর্মকর্তা কলোনির বাসিন্দাদের জমি খালি করার নির্দেশ দেন।
১৯৭১ সালের সরকারি সম্পত্তি থেকে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ আইন (ইভিকশন অব আনঅথোরাইজড অক্যুপ্যান্টস) অ্যাক্ট অনুযায়ী ওই উচ্ছেদ আদেশ দেওয়া হয়। নোটিশে বাসিন্দাদের বন্দর কর্তৃপক্ষের জমির ‘অননুমোদিত দখলদার’ বা ‘অনুপ্রবেশকারী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
তাদের ১৫ দিনের মধ্যে জমি ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
বন্দর কর্তৃপক্ষ আদালতে আরও দাবি করেছে, কলোনির কারণে তাদের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। ১৯৯০ সাল থেকে মোট ক্ষতির পরিমাণ ৬১ কোটি টাকার বেশি এবং বছরে ২ কোটি টাকার বেশি রাজস্ব হারানোর কথা তারা জানিয়েছে।
এ ছাড়া এলাকাটি ঘনবসতিপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এবং সেখানে দাহ্য পদার্থ ও অরক্ষিত বৈদ্যুতিক তার রয়েছে বলেও বন্দর কর্তৃপক্ষ আদালতে উল্লেখ করেছে।
আদালতে বাসিন্দারা
উচ্ছেদ ঠেকাতে প্রথমে বাসিন্দারা কলকাতার সিটি সিভিল কোর্টে আবেদন করেন। কিন্তু ১৮ আগস্ট আদালত তাদের উচ্ছেদ থেকে সুরক্ষা দিতে অস্বীকৃতি জানায়।
এরপর ১৯ আগস্ট তারা কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন। হাইকোর্ট ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্ছেদ কার্যক্রমে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেন।
বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, উচ্ছেদের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চলার মধ্যেই পানি ও বিদ্যুতের সমস্যা তৈরি হয়েছে।
পানি সরবরাহ পুনরায় চালুর দাবিতেও তারা সিটি সিভিল কোর্টে আবেদন করেছেন। সেই আবেদন এখনো নিষ্পত্তি হয়নি।
উচ্ছেদের নোটিশ নিয়েও প্রশ্ন
বাসিন্দাদের আইনজীবীদের দাবি, উচ্ছেদের আগে সব বাসিন্দাকে যথাযথভাবে নোটিশ দেওয়া হয়নি এবং তাদের বক্তব্য ও প্রমাণ উপস্থাপনের পর্যাপ্ত সুযোগও দেওয়া হয়নি।
তাদের বক্তব্য, ১৯৭১ সালের আইনের ৪ নম্বর ধারায় সরকারি জমিতে বসবাসকারী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উচ্ছেদের আগে কারণ দর্শানোর সুযোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
এই প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, সেটিও হাইকোর্টে প্রশ্ন হিসেবে তোলা হয়েছে।
বাসিন্দাদের পক্ষে আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, সামিম আহমেদ, মো. নাসিরুল হক ও ইভি ব্যানার্জি আইনি লড়াই করছেন।
আইনজীবী সামিম আহমেদের বক্তব্য, জমিটি সরকারি সম্পত্তি হলেও সেখানে বসবাসকারী মানুষের আশ্রয়ের অধিকার রয়েছে। সরকার আইন প্রয়োগ করে অবৈধ দখল সরাতে পারে, কিন্তু কাউকে অন্যায়ভাবে উচ্ছেদ করে আশ্রয়হীন করা উচিত নয়।
প্রশাসনের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ
বাসিন্দারা জানান, পানি বন্ধ হওয়ার পর তারা কলকাতা পৌর করপোরেশনের অফিসে গিয়ে অভিযোগ করেন। তাদের ফোন নম্বর নেওয়া হলেও পরে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এরপর হাটিবাগানের প্রধান করপোরেশন অফিসেও লিখিত অভিযোগ দেন তারা।
স্থানীয় পুলিশ, কাউন্সিলর এবং বিধায়কের কাছেও বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে বাসিন্দাদের দাবি। কিন্তু এখন পর্যন্ত স্থায়ী সমাধান হয়নি।
তাদের অভিযোগ, কোনো সরকারি কর্মকর্তা এখন পর্যন্ত কলোনিতে এসে সরেজমিন পরিস্থিতি দেখেননি।
বাম নেত্রীর পাশে দাঁড়ানো
৯ সেপ্টেম্বর সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মিনাক্ষী মুখার্জি দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে জ্যোতিনগর কলোনি পরিদর্শন করেন।
তিনি বাসিন্দাদের পাশে থাকার কথা জানান এবং উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদ করেন।
সিপিআই(এম)-এর উদ্যোগে প্রতি দুই থেকে তিন দিন পরপর একটি পানির ট্যাংকার কলোনিতে পাঠানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।
কী বলছেন রীতেশ তিওয়ারি?
অল্ট নিউজের পক্ষ থেকে বিধায়ক রীতেশ তিওয়ারির কাছে কলোনির পানির সংকট নিয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, জমিটি বন্দর কর্তৃপক্ষের এবং তাদের সঙ্গে বাসিন্দাদের বিরোধ রয়েছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, বন্দর কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের জমি খালি করার নির্দেশ দিয়েছিল। পরে হাইকোর্ট সাময়িকভাবে জোরপূর্বক ব্যবস্থা নিতে নিষেধ করেছে।
পানি সরবরাহ কলকাতা পৌর করপোরেশনের দায়িত্ব উল্লেখ করে তিওয়ারি বলেন, তাহলে এখানে আমার ভূমিকা কী?
নিজের নির্বাচনী এলাকার মানুষকে সাহায্য করে পানি সরবরাহ পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নিতে পারেন কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা আমার কাজ নয়।
বাসিন্দারা অন্য রাজনৈতিক নেতাদের কাছে সাহায্য চেয়েছেন উল্লেখ করে তিনি তাদের ওপর আস্থা রাখার পরামর্শ দেন।
শেষ পর্যন্ত নিজের এলাকার মানুষের সমস্যায় কেন তিনি এগিয়ে আসছেন না— এমন প্রশ্ন করা হলে বিধায়ক বলেন, আমার ভাগের কাজটা আপনি করে দেবেন!
জ্যোতিনগর কলোনির ক্ষেত্রে তাই এখন দুটি বিষয় পাশাপাশি চলছে— একদিকে পানি ও মৌলিক সেবা নিয়ে বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগ এবং ধর্মীয় বৈষম্যের অভিযোগ, অন্যদিকে জমির মালিকানা ও উচ্ছেদ নিয়ে আইনি লড়াই। হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের মধ্যে পানি সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে এবং কলোনির বাসিন্দারা শেষ পর্যন্ত সেখানে থাকতে পারবেন কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
সূত্র : দ্য ওয়ার, অল্ট নিউজ
সময়ের আলো/ইউএমএইচ