১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত লংমার্চ উপলক্ষে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে একটি পথসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পথসভাকে সামনে রেখে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পলাশবাড়ী চৌমাথায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন জোটের নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সারের সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দলীয়করণ বন্ধ এবং দুর্নীতি-চাঁদাবাজি-দখলদারি প্রতিরোধের দাবিতেই এই লংমার্চের আয়োজন করা হচ্ছে।
লংমার্চ চলাকালে পলাশবাড়ীতে অনুষ্ঠিতব্য পথসভায় স্থানীয় ও আশপাশের এলাকার নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে
ব্রিফিংয়ে মূল বক্তব্য রাখেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম। তিনি লংমার্চের পটভূমি ও দাবিদাওয়া তুলে ধরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মমতাজ উদ্দিন এবং গাইবান্ধার সাবেক জেলা আমীর ডা. আব্দুর রহিম সরকার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা শাখার রাজনৈতিক সেক্রেটারি তথা পথসভা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এমপি।
গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি ও জেলা ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বায়ক সৈয়দ রোকনুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই ব্রিফিংয়ে জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের স্থানীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা আহ্বায়ক এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি মুফতি মাওলানা আবু ইউসুফ, এলডিপির জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) জেলা সভাপতি মো. জাহিদুল ইসলাম, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির জেলা আহ্বায়ক মো. খাইরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) জেলা সভাপতি মো. সুলতান মাহমুদ।
সময়ের আলো/আতা