বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ডাকসু ভবনের সামনে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম।
তিনি অভিযোগ করেন, এক বছরেও ডাকসুর নির্ধারিত বাজেট দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে প্রশাসনের অসহযোগিতার মধ্যেও ডাকসুর কমিটিগুলো হাজারের বেশি কাজ করেছে বলে দাবি করেন তিনি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালনা প্রশিক্ষণ, প্রাথমিক চিকিৎসা ও স্পোকেন ইংলিশ কোর্স, গবেষণা কর্মশালা, বৃত্তি ও উচ্চশিক্ষা বিষয়ক সেশন আয়োজন করা হয়েছে। পরিবহনে শনিবার বাস, সন্ধ্যার ট্রিপ, নারী হলের বাস ও ঢাকা-কুমিল্লা সাপ্তাহিক বাস চালু হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবায় মেডিকেল সেন্টার সংস্কার, মেডিকেল ক্যাম্প এবং পাঁচটি নারী হলে বিনামূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন দেওয়া হয়েছে।
তবে কম্পিউটার ল্যাব, এআই প্রশিক্ষণ, ইন্টার্নশিপ, সার্টিফিকেশন সহায়তা, ইনোভেশন হাব ও চাকরি মেলাসহ ছয়টি উদ্যোগ আটকে আছে। ক্যান্টিন সংস্কার, হলের ভর্তুকি মূল্যে খাবার, মাঠ সংস্কার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ আরও কয়েকটি প্রকল্পও বাস্তবায়িত হয়নি।
শিক্ষক মূল্যায়ন চালুর উদ্যোগও প্রশাসনিক বিলম্বে বাস্তবায়িত হয়নি বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে এক বছরে অস্থিতিশীলতার কারণে কোনো দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ হয়নি এবং হলে গেস্টরুম-গণরুম সংস্কৃতি ফিরে আসেনি বলেও দাবি করেছে ডাকসু।
সময়ের আলো/জেকিউএফ