বন্ধ শিল্প চালুতে ৭% সুদে ২০ হাজার কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

অর্থনীতি

বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় উৎপাদনে ফেরাতে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ অর্থায়ন কর্মসূচি নিয়েছে বাংলাদেশ

2026-09-17T22:20:08+00:00
2026-09-17T22:20:08+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অর্থনীতি
বন্ধ শিল্প চালুতে ৭% সুদে ২০ হাজার কোটি টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২০ পিএম 
বাংলাদেশ ব্যাংক। সংগৃহীত ছবি
বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় উৎপাদনে ফেরাতে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ অর্থায়ন কর্মসূচি নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ স্কিমের আওতায় ব্যাংকগুলো উদ্যোক্তাদের সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে ঋণ দিতে পারবে। ঋণ পাওয়ার পর প্রথম ছয় মাস সুদ পরিশোধে ছাড় পাবেন গ্রাহকরা। 

‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন স্কিম’ নামে চালু করা এ কর্মসূচির আওতায় ব্যাংকগুলোকে প্রাক-অর্থায়ন দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে জারি করা এক সার্কুলারে স্কিমটির বিস্তারিত নীতিমালা জানানো হয়।

সার্কুলার অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নেওয়া প্রাক-অর্থায়নের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে ৪ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। তবে অর্থ পাওয়ার পর প্রথম ছয় মাস এ সুদ পরিশোধ করতে হবে না। গ্রেস পিরিয়ড শেষ হলে ব্যাংকগুলোকে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সুদ পরিশোধ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রথম দুই ত্রৈমাসিকে জমে থাকা সুদও পরিশোধ করতে হবে।  

অন্যদিকে, এই স্কিমের আওতায় ব্যাংকগুলো শিল্প ও সেবা খাতের উদ্যোক্তাদের যে ঋণ দেবে, তার সর্বোচ্চ সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ শতাংশ। গ্রাহকদের জন্যও রাখা হয়েছে ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড। অর্থাৎ ঋণ পাওয়ার পর প্রথম ছয় মাস তাদের কাছ থেকে সুদ আদায় করা যাবে না। এরপর নিয়মিত সুদ আদায় শুরু হবে এবং গ্রেস পিরিয়ডে জমে থাকা সুদও নির্ধারিত নিয়মে আদায় করা হবে। 


বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, স্কিমটির মেয়াদ তিন বছর। তবে পুরো মেয়াদে তহবিলের প্রাপ্যতা সাপেক্ষে ব্যাংকগুলো যেকোনো সময় প্রাক-অর্থায়নের জন্য আবেদন করতে পারবে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমার মধ্যে আবেদন করার বাধ্যবাধকতা নেই। তবে তহবিল শেষ হয়ে গেলে এ সুবিধা পাওয়া যাবে না।

বন্ধ প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালুর পাশাপাশি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার দায়িত্বও ব্যাংকগুলোর ওপর দেওয়া হয়েছে। প্রাক-অর্থায়নের অর্থ নির্ধারিত খাতেই ব্যয় হচ্ছে কি না, ঋণের ব্যবহার ও আদায়ের অবস্থা— এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে নিয়মিত নজরদারি করতে হবে।

গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে সুদ পরিশোধের হিসাবও নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি করতে হবে ব্যাংকগুলোকে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সার্কুলারে উল্লেখিত সব নির্দেশনা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।


সময়ের আলো/ইউএমএইচ
  বিষয়:   বন্ধ শিল্প  স্কিম 


Advertisement
Loading...
Loading...
অর্থনীতি- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: