যুদ্ধে না জড়িয়েও কি সৌদিকে রক্ষা করতে পারবে পাকিস্তান

তৌহিদুজ্জামান সোহান

আন্তর্জাতিক

আরও এক জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ পর্বে প্রবেশ করেছে মধ্যপ্রাচ্য। ইয়েমেনের হুথিরা লোহিত সাগরের উপকূল ধরে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জন করে

2026-09-20T03:07:36+00:00
2026-09-20T03:07:36+00:00
 
  রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
৫ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
যুদ্ধে না জড়িয়েও কি সৌদিকে রক্ষা করতে পারবে পাকিস্তান
তৌহিদুজ্জামান সোহান
প্রকাশ: রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০৭ এএম 
ছবি : সংগৃহীত
আরও এক জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ পর্বে প্রবেশ করেছে মধ্যপ্রাচ্য। ইয়েমেনের হুথিরা লোহিত সাগরের উপকূল ধরে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জন করে বাব আল-মান্দেব প্রণালির পার্শ্ববর্তী গ্রেটার ও লেসার হানিশ দ্বীপপুঞ্জ দখল করে নিয়েছে। মোখা বন্দরও তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফলে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ নতুন তীব্রতা পেয়েছে। 

একই সঙ্গে মাত্র এক মাস আগে স্বাক্ষরিত পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিও প্রথম বড় পরীক্ষার মুখে পড়েছে। গত আগস্টের ৭ তারিখ আল-সাফা প্রাসাদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান এই চুক্তিতে সই করেন। 

চুক্তির মূল কথা হলো, তিন দেশের কোনো একটি সদস্য রাষ্ট্র সশস্ত্র হামলার শিকার হলে সেটিকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ফলে সৌদি আরবের ওপর হুথিদের হামলা এখন চুক্তিটির কার্যকারিতা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছে।

ইয়েমেনের সংকট ছড়িয়ে পড়ছে সীমান্তের বাইরে : হুথিদের অগ্রযাত্রার জবাবে সৌদি আরব গত কয়েক দিনে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে। পাঁচ দিনে প্রায় ৩০০টি বিমান হামলার পাশাপাশি রিয়াদ জানিয়েছে, সৌদি ভূখণ্ডে আরও হামলা হলে তারা কঠোর জবাব দেবে। 

একই সময়ে ইয়েমেনে হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে এবং হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে। এর প্রভাব সৌদি আরবের তেল বাজারেও পড়ছে। ১৬ সেপ্টেম্বর পরিস্থিতি আরও স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট মক্কার দিকে অগ্রসর হওয়া একটি হুথি ড্রোন ভূপাতিত করে। মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় নগরী মক্কার দিকে হামলার আশঙ্কা সৌদি আরবের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়।

এর পরপরই পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ জানান, ইসলামাবাদ মক্কা চুক্তির অধীনে নিজেদের দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত। তিনি বলেন, চুক্তিটি পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য এবং দেশটি তার দায়িত্ব পালন করবে। কিন্তু এখানেই তৈরি হয়েছে মূল প্রশ্নটি। ওই দায়িত্ব পালনের অর্থ কি ইয়েমেনে পাকিস্তানি সেনা পাঠানো? নাকি সৌদি ভূখণ্ডের প্রতিরক্ষা, আকাশ প্রতিরক্ষা, গোয়েন্দা সহযোগিতা এবং কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই সেই দায়িত্ব সীমাবদ্ধ থাকবে?

কথা কাজে বড় ফারাক : এখন পর্যন্ত পাকিস্তান চুক্তিটিকে সামরিকভাবে সক্রিয় করেনি। ১০ সেপ্টেম্বর ইসলামাবাদ জানিয়েছিল, তাৎক্ষণিক সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা তারা বিবেচনা করছে না। বরং কূটনৈতিক পথেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। 

বৃহস্পতি ও শুক্রবার পাকিস্তানি এবং তুর্কি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা যায়, সৌদি আরব আনুষ্ঠানিকভাবে মক্কা চুক্তির আওতায় পাকিস্তানের কাছে সামরিক সহায়তা চায়নি। অর্থাৎ পাকিস্তানের পক্ষ থেকে সামরিক হস্তক্ষেপের ঘোষণা না আসার পাশাপাশি রিয়াদের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত এমন আনুষ্ঠানিক অনুরোধ করা হয়নি। তুরস্কের ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি ভিন্ন নয়। দেশটির পার্লামেন্টে চুক্তিটি অক্টোবরের আগে অনুমোদনের সম্ভাবনা নেই বলে জানা গেছে। ফলে চুক্তিটি বাস্তবে কতটা দ্রুত কার্যকর করা সম্ভব, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

এদিকে সৌদি আরব পরিস্থিতি সামাল দিতে অন্য অংশীদারদের দিকেও তাকাচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দুই দফা কথা বলে হুথিদের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলার অনুরোধ করেছিলেন। ট্রাম্প এতে সম্মতি না দিলেও গোয়েন্দা সহায়তার প্রস্তাব দেন। এমনকি ইসরাইল ও ব্রিটেনের সঙ্গেও সৌদি আরব যোগাযোগ করছে বলে জানা গেছে। ফলে মক্কা চুক্তির অংশীদাররা সংকটের সময়ে কতটা কার্যকরভাবে সৌদির পাশে দাঁড়াতে পারবে, সেটিই এখন চুক্তিটির বিশ্বাসযোগ্যতার অন্যতম প্রশ্ন হয়ে উঠেছে।

পাকিস্তান অবশ্য পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় নয় : তবে পাকিস্তান কোনো পদক্ষেপই নেয়নি এমনটা বলা ঠিক হবে না। সৌদি আরবে আগে থেকেই পাকিস্তানের সামরিক উপস্থিতি রয়েছে। বিদ্যমান ব্যবস্থার আওতায় সেখানে প্রায় ১৬টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং পাকিস্তানি সেনাসদস্য রয়েছে। অর্থাৎ সৌদি ভূখণ্ডের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে পাকিস্তানের একটি বিদ্যমান ভূমিকা রয়েছে। 

এর পাশাপাশি পাকিস্তান কূটনৈতিকভাবেও সক্রিয়। দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহানের সঙ্গেও তার যোগাযোগ রয়েছে। এই চ্যানেলের মাধ্যমে ইসলামাবাদ ইরানকে হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রাখার আহ্বান জানাচ্ছে এবং একই সঙ্গে রিয়াদের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির বিষয়টিও তুলে ধরছে।

এখানে পাকিস্তানের অবস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সৌদি আরবকে রক্ষা করা, আকাশ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা দেওয়া, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় কিংবা সৌদি ভূখণ্ডে বিদ্যমান সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখা এক বিষয়। আর ইয়েমেনের ভেতরে গিয়ে হুথিদের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক অভিযান চালানো সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। মক্কা চুক্তির ঘোষিত লক্ষ্যও মূলত সম্মিলিত প্রতিরোধ, প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে সহযোগিতার ওপর জোর দেয়। ফলে চুক্তির প্রতিশ্রুতি পালন মানেই যে ইয়েমেনে সরাসরি যুদ্ধে নামতে হবে, তেমনটি এখনও স্পষ্ট নয়।

কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা : পাকিস্তানের জন্য সবচেয়ে কঠিন বিষয়টি সামরিক নয়, বরং কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা। সৌদি আরবের সঙ্গে দেশটির দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা সম্পর্ক রয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রতিবেশী ইরান। তাই ইয়েমেনকে কেন্দ্র করে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে সরাসরি সংঘাত ছড়িয়ে পড়ুক এমন পরিস্থিতি ইসলামাবাদও চায় না।

এই কারণেই ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানের যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ। সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য ধরে রাখার চেষ্টা করছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, সৌদি আরবের প্রতি প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতি পূরণ করা, কিন্তু একই সঙ্গে এমন কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া, যা ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতের দিকে নিয়ে যেতে পারে।

চীনের ভূমিকাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলের ওপর হুথি হামলা বন্ধে ইরানের ওপর চাপ দিয়েছিল বেইজিং। সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে ২০২৩ সালের সম্পর্ক পুনঃস্থাপনেও চীন মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছিল। ফলে লোহিত সাগরের বাণিজ্যপথ সচল রাখা এবং আঞ্চলিক সংঘাত নিয়ন্ত্রণে চীন আবারও কূটনৈতিক ভূমিকা নিতে পারে এমন সম্ভাবনাও রয়েছে।


আরব সাগরেও ইয়েমেন সংকট : ইয়েমেনের সংকট শুধু লোহিত সাগর বা সৌদি আরবের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়। বাব আল-মান্দেব প্রণালি পেরিয়ে বাণিজ্যিক নৌপথ আরব সাগরের দিকে চলে গেছে। ফলে পাকিস্তানের করাচি, গোয়াদর এবং তার সামুদ্রিক স্বার্থও এই সংকটের সঙ্গে পরোক্ষভাবে যুক্ত। লোহিত সাগরের নৌপথ দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ থাকলে জাহাজ চলাচলের খরচ ও বীমা ব্যয় বাড়বে। একই সঙ্গে বিকল্প নৌপথ ব্যবহারের প্রবণতাও বাড়বে। এতে গোয়াদরের কৌশলগত গুরুত্ব বাড়ার সুযোগ যেমন তৈরি হতে পারে, তেমনি বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

পাকিস্তান সরাসরি যুদ্ধে জড়ালে ঝুঁকি কতটা : পাকিস্তানের জন্য সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত আসবে তখনই, যখন সৌদি আরব আনুষ্ঠানিকভাবে ইয়েমেনের মাটিতে হুথিদের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক অভিযানে অংশ নিতে ইসলামাবাদকে অনুরোধ জানাবে। যদিও এখন পর্যন্ত এমন কোনো আনুষ্ঠানিক অনুরোধ আসেনি। 

কিন্তু যদি আসে, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ পাল্টে যাবে। ইয়েমেনে পাকিস্তানি সেনা পাঠানোর অর্থ হবে শুধু সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা নয়, বরং একটি চলমান যুদ্ধে সরাসরি পক্ষ নেওয়া। এতে ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক আরও জটিল হতে পারে। একই সঙ্গে পাল্টা হামলার ঝুঁকি, আঞ্চলিক ও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা এবং দীর্ঘমেয়াদি সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হবে।

ইসলামাবাদকেন্দ্রিক বিশ্লেষক মানসুর কায়সারের ভাষায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনটি বিষয় আলাদা করে দেখা জরুরি। সৌদি ভূখণ্ড রক্ষা করা, মক্কা চুক্তির সদস্যদের বিরুদ্ধে হামলা প্রতিরোধ করা এবং ইয়েমেনের ভেতরে গিয়ে হুথিদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক যুদ্ধে অংশ নেওয়া। পাকিস্তান বর্তমানে প্রথম দুটি ক্ষেত্রে সহযোগিতা করছে। তৃতীয়টি অনেক বড় এবং ব্যয়বহুল সিদ্ধান্ত। আর এখন পর্যন্ত সৌদি আরবও ইসলামাবাদকে সেই সিদ্ধান্ত নিতে বলেনি।

আসল পরীক্ষা এখনও বাকি : মক্কা চুক্তির প্রকৃত পরীক্ষা পাকিস্তানি সেনারা ইয়েমেনের মাটিতে যাবে কি না শুধু তার ওপর নির্ভর করছে না। বরং বড় প্রশ্ন হলো, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হামলা প্রতিরোধে চুক্তিটি কতটা কার্যকর প্রতিরোধব্যবস্থা তৈরি করতে পারে। সৌদি আরবে পাকিস্তানের বিদ্যমান যুদ্ধবিমান ও আকাশ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং ইরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক যোগাযোগ এসবই চুক্তির সামরিক প্রতিশ্রুতির একটি বিকল্প বাস্তবায়ন কাঠামো তৈরি করছে। ইসলামাবাদ আপাতত সরাসরি যুদ্ধে না গিয়ে সেই পথেই এগোচ্ছে।

তবে এই পদক্ষেপকে সৌদি আরব ভিন্নভাবে দেখতে পারে। ইসলামাবাদের কাছে এটি সংযম ও কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষার নীতি হলেও রিয়াদের মনে সংকটের মুহূর্তে সেটি পর্যাপ্ত সহযোগিতা না পাওয়ার অনুভূতি তৈরি করতে পারে। সৌদি আরব যখন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ব্রিটেনের কাছেও সহায়তা খুঁজছে, তখন মক্কা চুক্তির অংশীদারদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। কায়সার তাই বলছিলেন, মক্কা চুক্তির প্রথম পরীক্ষা আসলে ইয়েমেনে পাকিস্তানের যুদ্ধ করার সক্ষমতার পরীক্ষা নয়; বরং যুদ্ধের বাইরে থেকে সৌদি আরবকে কতটা কার্যকরভাবে নিরাপত্তা দেওয়া যায়, সেটিই।

ইসলামাবাদ যদি ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রেখে, সৌদি ভূখণ্ডের প্রতিরক্ষা জোরদার করে এবং একই সঙ্গে রিয়াদকে স্পষ্ট ও দৃশ্যমান সহযোগিতা দিতে পারে, তা হলে সরাসরি ইয়েমেন যুদ্ধে না জড়িয়েও চুক্তির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের একটি পথ তৈরি হতে পারে। কিন্তু এই ভারসাম্য কতদিন ধরে রাখা সম্ভব, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। 

কারণ চুক্তির ভাষায় ‘এক সদস্যের ওপর হামলা মানেই সবার ওপর হামলা’ হলেও বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতির সীমা কোথায়? সৌদি ভূখণ্ডের আকাশ প্রতিরক্ষা পর্যন্ত, নাকি ইয়েমেনের যুদ্ধক্ষেত্র পর্যন্ত? মক্কা চুক্তিকে শেষ পর্যন্ত সেই প্রশ্নেরই উত্তর দিতে হবে।

সময়ের আলো/প্রিন্ট/এসএকে
  বিষয়:   যুদ্ধ  সৌদি  পাকিস্তান  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: