ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে আগুন লাগার গুজবে রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় আতঙ্কিত হয়ে রোগী ও স্বজনরা হুড়োহুড়ি করে বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে বের হয়ে হাসপাতালের বাইরে চলে যান। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে এ ঘটনা ঘটে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় হাসপাতাল চত্বরসহ আশপাশের এলাকাতেও প্যানিক তৈরি হয়।
হাসপাতাল সূত্র, রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, সদর হাসপাতালে প্রতিদিন পাঁচ শতাধিক রোগী ভর্তি থাকেন। রাতে অক্সিজেন প্লান্ট থেকে হঠাৎ বিকট শব্দ শোনা যায়। এ শব্দ শুনে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আগুন লাগার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে নানা বয়সী রোগী ও তাদের স্বজনরা তাড়াহুড়ো করে ঝুঁকি নিয়ে যে যেভাবে পারেন বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন।
একপর্যায়ে হাসপাতালের কয়েকটি ওয়ার্ড প্রায় ফাঁকা হয়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত হাসপাতালে ছুটে যান। তবে সেখানে কোনো ধরনের আগুন লাগার ঘটনা ঘটেনি বলে নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিস।
আগুন না লাগার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর রোগী ও স্বজনরা আবার নিজ নিজ ওয়ার্ডে ফিরে যান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক রতন কুমার ঢালি বলেন, আগুন লাগার গুজবে রোগীরা হাসপাতাল থেকে বের হয়ে এসেছিলেন। মূলত অক্সিজেন প্লান্টে অতিরিক্ত অক্সিজেন সেফটি রিলিজের সময় শব্দ হয়। ওই শব্দে রোগীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার নাজমুল আলম বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে তারা দ্রুত হাসপাতালে ছুটে যান। তবে সেখানে আগুন লাগার কোনো ঘটনা ঘটেনি। মূলত অক্সিজেন প্লান্টের শব্দে আতঙ্কিত হওয়ার কারণে এই প্যানিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
সময়ের আলো/এসএকে