কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের (১৩) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রোববার সকাল ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে প্রথম জানাজা এবং বেলা ১১টায় কোটবাড়ির গন্ধমতি ঈদগাহ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
প্রথম জানাজার আগে ছেলের নিথর দেহের পাশে দাঁড়িয়ে কথা বলেন বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার। তিনি বলেন, ‘আমার একটাই ছেলে ছিল। কুমিল্লার আবহাওয়ায়, কুমিল্লার আকাশের নিচে, আপনাদের ভালোবাসায়, আপনাদের স্নেহে ও বড় হয়েছিল। ওর বয়স ১৩ বছর।’
জানাজা শেষে সাংবাদিকদের মাধ্যমে ছেলের হত্যার সুষ্ঠু ও ন্যায়বিচার দাবি করেন ফিরোজ শাহরিয়ার। তিনি বলেন, ‘আমার ছেলের হত্যার সুষ্ঠু ও ন্যায়বিচার চাই। বর্তমান বিচারব্যবস্থার প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা আছে। এই আস্থাটা যেন ব্রেক না হয়। আমার বিশ্বাস, ব্রেক হবে না এবং সুষ্ঠু বিচার হবে।’
দ্বিতীয় জানাজার সময় তিনি বলেন, অপ্রতিম দুই বছর বয়সে এই এলাকায় এসেছিল। তার মা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ায় এখানকার মানুষের ভালোবাসা ও স্নেহেই সে বড় হয়েছে।
ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, ‘আর কাউকে যেন আমার মতো সন্তান হারাতে না হয়। বাবার কাঁধে সন্তানের লাশ কতটা কষ্টের, সেটা আজ বুঝতে পারছি।’
গত শুক্রবার দুপুরে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। প্রায় ২২ ঘণ্টা পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
সময়ের আলো/কেএইচ