সাইফ সিরাজের নতুন বই ‘ভাষারাজনীতি’ নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো ব্যতিক্রমী এক ‘ভাষা রাজনৈতিক সভা’।
গত শুক্রবার বাদ মাগরিব রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের পূর্ব গেটে ইসলামী বইমেলার অনুষ্ঠান মঞ্চে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
রাহনুমা প্রকাশনীর সিইও আশরাফুল হকের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন লেখক মুহাম্মাদ যাইনুল আবিদীন। শুরুতে বইটির লেখার প্রেক্ষাপট, পদ্ধতি ও উদ্দেশ্য নিয়ে কথা বলেন কবি সাইফ সিরাজ। তিনি জানান, বন্ধু ও ছোট ভাইদের উৎসাহ ও চাপ না থাকলে বইটি হয়তো শেষ করা সম্ভব হতো না। এ কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
মুহাম্মাদ যাইনুল আবিদীন বলেন, ভাষা ও শব্দের অর্থ বদল একটা খেলা। সেই খেলায় আছে রাজনীতি। সাইফ সিরাজ সেই রাজনীতির সদর-অন্দরটা আমাদের দেখাতে চেয়েছেন। তার যে অভিজ্ঞতা এবং সাহিত্য-সফর তাতে তার এই কাজটি যথাযথ হয়েছে বলে মনে করি।
তিনি আরও বলেন, বাংলা ভাষায় ভাষার রাজনীতিকে অনুসঙ্গ করে এই বইটিই সম্ভবত একটা পূর্ণাঙ্গ আলাপের পয়লা প্রয়াস।
সম্পাদক ও ইতিহাস চিন্তক মনযুর আহমদ, লেখক ও চিন্তক ইফতেখার জামিল এবং লেখক সাবের চৌধুরীও বইটির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। ইফতেখার জামিল বলেন, যে কোন বড় অপরাধ ও ঘটনার আগে ভাষা ও সংস্কৃতির একটা রাজনীতি হয়। ভাষা ও শব্দ দিয়ে কাউকে হত্যাযোগ্য করে তোলার ঘটনা আমরা দেখেছি। যেমনটা শাপলা চত্বর ও ওয়ার এন্ড টেররের বেলায় দেখেছি।
অনুষ্ঠানে আরও আমন্ত্রিত ছিলেন মাহমুদুল হাসান তুষার, সাইমুম সাদী, আরজে মামুন চৌধুরী, জিয়াউদ্দিন সাইমুম, হিজল জোবায়ের, শিবলী আহমেদ, জাকির উসমান, রোকন রায়ান, মাওলানা আব্দুল্লাহ সাদেক, মাওলানা ফাহিম মোহাম্মদ আতাউল্লাহ, মুফতি আবু হোরায়রা ও উমারা হাবীবসহ অনেকে।
বক্তারা বইটিকে ভাষা ও শব্দের রাজনীতি নিয়ে ভিন্নধর্মী কাজ হিসেবে উল্লেখ করে লেখকের প্রতি শুভকামনা জানান এবং বইটির বহুল পাঠ কামনা করেন।
সময়ের আলো/এমকে