ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র সফরের আগে তার প্রতিনিধিদলের কয়েকজন সদস্যকে ভিসা দেয়নি মার্কিন প্রশাসন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিনিধিদলের মধ্যে প্রেসিডেন্টের যোগাযোগ দলের সদস্যরাও রয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ এটিকে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের একটি ‘নজিরবিহীন বৈরী পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
ইরানের প্রেসিডেন্টের দফতরের এক মুখপাত্রের বরাত দিয়ে মেহের নিউজও একই খবর প্রকাশ করেছে। পেজেশকিয়ান বুধবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দেবেন বলে জানিয়েছে ইরানি সংবাদমাধ্যম।
যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অনুমতি রয়েছে ইরানি প্রতিনিধিদলের
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে ইরানের প্রতিনিধিদলকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে ওয়াশিংটন। তবে গত বছরের মতো এবারও প্রতিনিধিদলের ওপর কিছু বিধিনিষেধ থাকবে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, ইরানি প্রতিনিধিদলের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রে বিলাসবহুল পণ্যসহ কিছু নির্দিষ্ট জিনিস কিনতে পারবেন না।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও এই প্রতিনিধিদলের সদস্য। তিনি রোববার সন্ধ্যায় ইরান থেকে কাতারের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। সেখান থেকে তার নিউইয়র্ক যাওয়ার কথা রয়েছে।
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা
এদিকে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বন্ধ থাকা গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল ও গ্যাস পরিবহন আবার চালুর বিষয়ে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কিছু শর্ত জানিয়েছে।
ইরানের দাবি, কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রকে এসব শর্ত জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বন্দরগুলোকে ঘিরে পাল্টা অবরোধ আরোপ করছে।
ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। সেই যুদ্ধ শুরুর পর পেজেশকিয়ানই প্রথম ইরানি প্রেসিডেন্ট, যিনি যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করবেন।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ