ইরানের সব এয়ারলাইন আন্তর্জাতিকভাবে কার্যক্রম চালাতে বড় ধরনের সমস্যায় পড়বে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ইরানের সব এয়ারলাইন কার্যত বন্ধ হয়ে যেতে পারে। কোনো দেশ বা প্রতিষ্ঠান ইরানি বিমানকে জ্বালানি, বিমানবন্দরের সেবা বা টিকিট বিক্রির সুবিধা দিলে তারা মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়তে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বাকি ২৭টি এয়ারলাইনসহ দেশটির বিমান খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মোট ৩৬টি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ওয়াশিংটনের দাবি, এসব নেটওয়ার্ক ইরানের সামরিক ও অন্যান্য কার্যক্রমে সহায়তা করছে।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের বিমান সংস্থাগুলোর আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং, জ্বালানি, যন্ত্রাংশ ও রক্ষণাবেক্ষণ সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে আরও সমস্যা তৈরি হতে পারে। তবে এর প্রভাব শুধু সামরিক খাতেই নয়, বেসামরিক বিমান চলাচলেও পড়তে পারে।
ইরানের বিমান খাত বহু বছর ধরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে নতুন বিমান, খুচরা যন্ত্রাংশ ও রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধার সংকটে রয়েছে।
বেসেন্ট একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক লেনদেন চালিয়ে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে মার্কিন ডলারভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করার কথা বলেছেন তিনি।
ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপের লক্ষ্য ইরানের অর্থনৈতিক ও আর্থিক সক্ষমতার ওপর চাপ বাড়ানো। অন্যদিকে, ইরান দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে প্রত্যাখ্যান করে আসছে এবং দাবি করছে, এসব নিষেধাজ্ঞা দেশটির নীতিতে পরিবর্তন আনতে পারেনি।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ