দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবারও চালু হয়েছে ডায়রিয়া ওয়ার্ড। পাশাপাশি রোগীদের সুবিধার জন্য বাড়ানো হয়েছে একটি টিকিট কাউন্টার। সম্প্রতি চিকিৎসক সংকট ও হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর এসব বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, টিকিট কাউন্টার থেকে শুরু করে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে রোগীদের ভিড়। বহির্বিভাগে দায়িত্ব পালনকারী চিকিৎসকদের কক্ষের সামনে রোগীদের দীর্ঘ সারি রয়েছে।
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর চার শয্যার ডায়রিয়া ওয়ার্ডটিও চালু করা হয়েছে। মঙ্গলবার সেখানে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ছয়জন রোগী ভর্তি ছিলেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে ৪৫ থেকে ৬০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাসেবা নেন। এ ছাড়া বহির্বিভাগে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন।
চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজন রোগী জানান, গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়ায় তারা সন্তুষ্ট। ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীদের স্বজনরাও ওয়ার্ডটি পুনরায় চালু হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেন।
পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুশফিকুর রহমান রাজীব বলেন, তিনি গত ১০ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। যোগদানের পর রোগীদের সুবিধার জন্য নতুন করে একটি টিকিট কাউন্টার চালু করা হয়েছে। পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা লাইনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ডায়রিয়া ওয়ার্ডটি পুনরায় চালু করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, খুব দ্রুত হাসপাতালের অন্যান্য সমস্যারও সমাধান হবে।
সময়ের আলো/এসএকে