জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আবারও আলোচনা হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) কাতারের মধ্যস্থতায় প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে এই আলোচনা হয় বলে জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, কাতারের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান ও নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করার এই আলোচনা হয়েছে।
বাঘাই বলেন, আলোচনায় ইরান কূটনৈতিক আলোচনা আবার শুরু করার বিষয়ে তাদের অবস্থান ও শর্তগুলো যুক্তরাষ্ট্রের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। এসব শর্তে যেন কোনো ধরনের সন্দেহ বা অস্পষ্টতা না থাকে, সেটিও নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রকে সব ধরনের আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে। এর মধ্যে ইরানের ওপর নৌ অবরোধ ও অর্থনৈতিক চাপ বন্ধ করার বিষয়ও রয়েছে।
এ ছাড়া সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ, বিদেশে আটকে থাকা ইরানের সম্পদ ছাড় এবং ইরান ও ওমানের সম্মতিতে নিরাপদ নৌ চলাচলের পথ মেনে নেওয়ার দাবিও জানিয়েছে তেহরান।
এর আগে মঙ্গলবার নিউইয়র্কে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে বৈঠক করেন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে দীর্ঘদিনের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের মধ্যে এসব আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ