ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য তিন মাস পরপর ভ্যাট রিটার্ন ও পেমেন্ট জমা দেওয়ার সুযোগ বাতিল করে আবার মাসিক ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে সরকার। ভ্যাট আদায় বাড়ানো ও মাঠপর্যায়ে রাজস্ব সংগ্রহে গতি আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে এটি অনুমোদন পেয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভ্যাট আইনের ৬৪ ধারা সংশোধন করে প্রতি তিন কর মেয়াদ শেষে রিটার্ন জমার পরিবর্তে প্রতিটি কর মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে রিটার্ন জমার বিধান পুনর্বহাল করা হচ্ছে। ১৫তম দিন সরকারি ছুটি হলে পরবর্তী কার্যদিবসে রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে।
তবে সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, ব্যাংক, বিমা এবং শূন্য রিটার্ন দাখিলকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর মেয়াদ শেষ হওয়ার ২০ দিনের মধ্যে রিটার্ন জমা দিতে পারবে।
সর্বশেষ বাজেটে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ত্রৈমাসিক ভ্যাট রিটার্ন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। পরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সরকারকে এই ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানায়। এনবিআরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, ত্রৈমাসিক রিটার্ন ব্যবস্থার কারণে ভ্যাট আদায়ের গতি কমেছে।
নতুন অধ্যাদেশ কার্যকর হলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আবার নিয়মিত মাসিক ভিত্তিতে ভ্যাট রিটার্ন ও পেমেন্ট জমা দিতে হবে।
সময়ের আলো/এমকে