সাংবাদিক দম্পতি সাগর ও রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ ১৩০ বারের মতো পেছানো হলো। আগামী ৫ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুর রহমান নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় তদন্ত কর্মকর্তাকে আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে এর কারণ ব্যাখ্যার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আটজন আসামি রয়েছেন। অন্য আসামিরা হলেন—বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ।
আসামিদের একাধিকবার রিমান্ডে নেওয়া হলেও কেউ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি। তাঁদের মধ্যে তানভীর ও পলাশ জামিনে রয়েছেন। অন্যরা কারাগারে আছেন।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলাটির তদন্তে গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে র্যাবকে তদন্ত থেকে সরিয়ে দিয়ে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই আদেশ দেন। পরে ১৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে চার সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করে। এতে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করা হয়।
সময়ের আলো/এসএকে